দুদকে এবি ব্যাংকের পরিচালক বি বি সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, আসেননি চেয়ারম্যান | daily-sun.com

দুদকে এবি ব্যাংকের পরিচালক বি বি সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, আসেননি চেয়ারম্যান

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ১২:৩৭ টাprinter

দুদকে এবি ব্যাংকের পরিচালক বি বি সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, আসেননি চেয়ারম্যান

 

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বি বি সাহা রায়কে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সোমবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।

তবে ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালকে তলব করা হলে বেলা ১২টা পর্যন্ত তিনি আসেননি। 


এর আগে গতকাল রবিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে এবি ব্যাংকের অর্থ মামলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবল হোসেন এবি ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ও পরিচালককে সোমবার সকাল ৯টায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেন।

 
এর আগে একই অভিযোগে গতকাল রবিবার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। পরিচালকরা হলেন- শিশির রঞ্জন বোস, মেজবাহুল হক, ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকী।


এর আগে অর্থ পাচারের ওই অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


পরে গত ২ জানুয়ারি ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা হলেন- ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।


জানা যায়, সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটি অফসোর কোম্পানি খোলার নাম করে দুবাইয়ের পিজিএফ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 


অর্থ পাচারের ঘটনাটি ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের জুনের মধ্যে ঘটে। এ কারণে ব্যাংকটির ১৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে দুদক চিঠি দিয়েছে।


এছাড়া ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানের পাসপোর্টও জব্দ করেছে দুদক।

 


Top