আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন আপিলে বহাল, মুক্তি মিলছে না দিলদারের | daily-sun.com

আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন আপিলে বহাল, মুক্তি মিলছে না দিলদারের

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ১০:৫৭ টাprinter

আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন আপিলে বহাল, মুক্তি মিলছে না দিলদারের

 

মুদ্রা পাচারসহ নানা অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের করা তিন মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (৮ জানুয়ারি) সকালে দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

 


তবে দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে আরো দুটি মামলা থাকায় এখনই তিনি জামিন পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। গুলজার ও আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তাদের মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুনি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু আদালত থেকে বের হয়ে এসব তথ্য জানান।


এর আগে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আবেদন গত বছরের ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পরে তা আরেক দফায় ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। ওই ২ জানুয়ারি তা আরেক দফায় ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।


এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় শুল্ক গোয়েন্দার করা পাঁচ মামলার মধ্যে তিন মামলায় দিলদার আহমেদসহ আপন জুয়েলার্সের মালিকদের জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে বাকি দুই মামলা স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়েছে।  


এর আগে গত বছরের ২২ নভেম্বর ওই তিনজনকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।


উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ জুন ও ১২ আগস্ট যথাক্রমে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট-১৯৬৯ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ১০টি মামলা দায়ের করে শুল্ক গোয়েন্দা। চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণালঙ্কার ও ডায়মন্ড আটকের পর কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল।


এর আগে বনানীর একটি হোটেলে দিলদার আহমেদ সেলিমের ছেলে সাফাত আহমেদ কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুম থেকে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের অলঙ্কার উদ্ধার করে। পরে এসব অলঙ্কার বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।

 


Top