বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে কলকাতায় সম্মেলন করবে আরএসএস | daily-sun.com

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে কলকাতায় সম্মেলন করবে আরএসএস

ডেইলি সান অনলাইন     ৭ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৭:১০ টাprinter

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে কলকাতায় সম্মেলন করবে আরএসএস

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিরক্ত হতে পারেন, এরকম বেশ কিছু ইস্যুতে কলকাতায় দুই দিনের এক সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে আরএসএস (রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সঙ্ঘ)-সমর্থিত একটি গোষ্ঠী। আগামী ফেব্রুয়ারিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সমস্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও জাল টাকার পাচার, রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট ও সন্ত্রাসবাদ এমনকি গরু পাচার নিয়েও এ সম্মেলনে আলোচনা হবে। 


আরএসএস- সমর্থিত সীমান্ত চেতনা মঞ্চ আগামী ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিকল্প একটি সরকার নিয়ে আসার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি।


সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক জগন্নাথ সেনাপতি বলেন, “বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পাঁচটি রাজ্যের সরকার ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর দফতর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিএসএফ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। ত্রিপুরার গভর্নর এরই মধ্যে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। বিএসএফ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিনিধি পাঠাবেন বলে আমরা আশা করছি। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদেরও আমরা আমন্ত্রণ জানাবো। আসাম, বেঙ্গল, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়ের ৩৫০ জন প্রতিনিধি সীমান্ত ইস্যুতে তাদের মতামত তুলে ধরবেন।”


সেনাপতি বলেন, “সীমান্ত ইস্যুতে উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। বিএসএফের পরে জনগণই মূল শক্তি, যারা সীমান্ত রক্ষা করে। এছাড়া কর্মসংস্থান তৈরীর প্রয়োজন রয়েছে যাতে তরুণ সমাজ অবৈধ কাজে জড়িয়ে না পড়ে।”


ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪১৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সাথে।


আরএসএস প্রধান মোহান ভগত গত ডিসেম্বরে এক সপ্তাহের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন। তিনি রাজ্য আরএসএসের সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।


মোহান ভগত এর আগে কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, “জিহাদী শক্তি” নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট সক্রিয় নয় তারা। এই সরকারগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, “কেরালা ও বাংলার অবস্থা আপনারা জানেন। জিহাদি শক্তিগুলো সেখানে সক্রিয়। যদিও জনতা তাদের প্রতিরোধ করছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের দায়িত্ব পালন করছে না।”

 

- সূত্র: সাউথ এশিয়া মনিটর ডট কম

 

 


Top