বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদার শ্রদ্ধা | daily-sun.com

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদার শ্রদ্ধা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১২:০২ টাprinter

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদার শ্রদ্ধা

 

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিসৌধে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এ শ্রদ্ধা জানান।


শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ডা. সিরাজুল ইসলাম, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সরাফত আলী সফু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, তাবিথ আউয়াল, সালাউদ্দিন ভুইয়া শিশির ও মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের সামনের সড়কে অবস্থান নেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পৃথক পৃথক ব্যানারে খালেদা জিয়ার আগমনের আগ পর্যন্ত মিছিল করেন তারা। বিএনপি চেয়ারপারসন স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকে আসলে অপেক্ষমাণ দলের নেকাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান।


১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়।


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, উদীচী, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

 


Top