রাখাইনে সহিংসতা বন্ধে কার্যক্রম দেখতে চায় যুক্তরাজ্য: বরিস জনসন | daily-sun.com

রাখাইনে সহিংসতা বন্ধে কার্যক্রম দেখতে চায় যুক্তরাজ্য: বরিস জনসন

ডেইলি সান অনলাইন     ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৩:২৮ টাprinter

রাখাইনে সহিংসতা বন্ধে কার্যক্রম দেখতে চায় যুক্তরাজ্য: বরিস জনসন

 

রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারকে কড়া বার্তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্র্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ‘আমরা মিয়ানমার সরকারের কথা শুনেছি। এখন রাখাইনে সহিংসতা বন্ধে কার্যক্রম দেখতে চাই।’ যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বার্তা দেওয়া হয়। 


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশসহ প্রায় দশটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র্রমন্ত্রী বরিস জনসন জাতিসংঘে একটি অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে এ আহ্বান জানানো হয়।


বার্তায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছ, ‘রাখাইনে সহিংসতা ওই দেশের মর্যাদার জন্য একটি কালো দাগ। আগামীতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার নিয়ে আলোচনা হলে অবাক হওয়া কিছু থাকবে না।’


বরিস জনসন রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি মধ্যাহ্ন সভার আয়োজন করেন। যেখানে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা, সুইডেন, ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রী বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বরিস জনসন বলেন, ‘যদিও গত কয়েক বছরে মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে উৎসাহব্যঞ্জক উন্নতি করেছে। কিন্তু রাখাইনে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সহিংসতা দেশটির মর্যাদার ওপর একটি কালো দাগ।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি মিয়ানমারে কেউ সামরিক সরকার দেখতে চায়না। এজন্য অং সান সুচি এবং তার বেসামরিক সরকারকে এ মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা জরুরি।’


এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে জাপানের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোর সঙ্গে নিউ ইয়র্কে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এ সহায়তা চান।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, জাপান নিরাপত্তা পরিষদে একজন প্রভাবশালী অস্থায়ী সদস্য এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমরা তাদের রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছি।  


জাপান ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

 


Top