রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় খালেদার হাজিরা ১৫ অক্টোবর | daily-sun.com

রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় খালেদার হাজিরা ১৫ অক্টোবর

ডেইলি সান অনলাইন     ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৩:০৬ টাprinter

রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় খালেদার হাজিরা ১৫ অক্টোবর

 

রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও নাশকতার ১০টিসহ মোট ১১ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাজিরার দিন ১৫ অক্টোবর ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ১১ মামলায় খালেদা জিয়ার হাজিরা দেয়ার দিন ধার্য ছিল। অধিকাংশ মামলা উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে বলে সময়ের আবেদন দাখিল করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবা ও জিয়া উদ্দিন জিয়া। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক হাফিজুর রহমান ওই দিন ধার্য করেন।


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার ১০টি মামলার মধ্যে আটটি দারুস সালাম থানায় ও দুটি যাত্রাবাড়ী থানায় দায়েরকৃত। 


রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদারের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই মামলায় ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন।


মামলার আরজিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয়, এত লক্ষ শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। ’


ওই দিন খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’


যাত্রাবাড়ী থানার মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী।


এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান।


মামলার উল্লেখ্যযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।


অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দারুসসালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়। ২০১৬ সালে এসব মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অভিযোগপত্রের পর খালেদা জিয়া এসব মামলায় হাজির হয়ে জামিন নেন।

 


Top