ধর্ষক বাবার ডেরায় টাকশাল কেন ছিল? | daily-sun.com

ধর্ষক বাবার ডেরায় টাকশাল কেন ছিল?

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২০:২৮ টাprinter

ধর্ষক বাবার ডেরায় টাকশাল কেন ছিল?

সমান্তরাল অর্থনীতি চালু ছিল ডেরা সাচ্চা সৌদায়। প্রায় পাঁচ কোটি অনুগামীর মধ্যে আলাদা মুদ্রার প্রচলন ছিল। আর টাকা ছাপতে আস্ত একটা টাঁকশালই বানিয়ে ফেলেছিলেন বাবা রাম রহিমের অনুগামীরা। শুক্রবার ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু খেলনার মতো প্লাস্টিকের মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে। কোনওটার মূল্য ১ টাকা। কোনওটার দশটাকা। তবে এখনও পরিষ্কার নয় এই মুদ্রা দিয়ে কেনাবেচা চলত নাকি টোকেন হিসেবে এগুলো ব্যবহার করা হত।

 

তবে এক সূত্র দাবি  করেছে, এই মুদ্রাগুলো দিয়ে নাকি ডেরার দোকানে কেনাকাটা করা যেত। টাকা জোগাড়ের জন্যই নাকি এই ফিকির খুঁজেছিলেন বাবা। মানে নোট দিয়ে এই প্লাস্টিকের কয়েন কিনতে হত। আর যেহেতু ডেরার দোকানে তা ব্যবহার করা যেত, তাই ভক্তরাও উৎসাহ ভরে তা কিনতেন। আর এভাবেই বহুকোটি টাকা কামিয়েছিলেন বাবা। ১০ টাকার কয়েনের রং কমলা। আর এক টাকার কয়েনের রং নীল। কয়েনে ‘‌সাচ্চা’‌ শব্দ লেখা রয়েছে।

 

 
বাবা রাম রহিম সিংয়ের ১০০০ একরের ডেরার অন্দরে কী কী আছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়৷ শুক্রবার আদালতের নির্দেশে রাম রহিমের ডেরায় তল্লাশি শুরু করে পুলিস৷ পুলিসের সঙ্গে ছিল প্রায় ১০০ আধাসেনা, ৫০ জন ভিডিওগ্রাফার ও ১২ জন তালা মিস্ত্রি৷ লুকোনো পথের খোঁজ করার জন্য খনন করার মেশিনও নেওয়া হয়েছে৷  নগদ টাকার পাশাপাশি সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে বাতিল হয়ে যাওয়া নোট, হার্ড ডিস্ক ও কম্পিউটার৷ সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ আদালতের নির্দেশে সতর্ক আছে বম্ব স্কোয়্যাড, কমান্ডো, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকল৷ দরকার পড়লে তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হবে৷  


Top