জেনে নিন সেক্স ট্যুরিজমে বিশ্বসেরা ২৪টি স্থান | daily-sun.com

জেনে নিন সেক্স ট্যুরিজমে বিশ্বসেরা ২৪টি স্থান

ডেইলি সান অনলাইন     ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ১৯:৪০ টাprinter

জেনে নিন সেক্স ট্যুরিজমে বিশ্বসেরা ২৪টি স্থান

সেক্স ট্যুরিজম বর্তমান বিশ্বের এক বিশাল বাণিজ্যের নাম। যতই দিন যাচ্ছে ততই এই ধারনা জনপ্রিয় হচ্ছে। জেনে নিন সেক্স ট্যুরিজমের সেরা ২৪ ঠিকানা! তবে তা যৌনতা কেন্দ্রিক! দুনিয়ার সেক্স ট্যুরিজমের মানচিত্রে নিত্যনতুন যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন দেশ। জনপ্রিয়তার নিরিখে তালিকার প্রথম দিকে থাকা কয়েকটি ঠিকানা সম্পর্কে জেনে নিন।

 

১) কিউবা: নিসর্গ, সংস্কৃতি ও চুরুটের স্বর্গরাজ্য খ্যাত দ্বীপরাষ্ট্র কিউবায় প্রতি বছর পাড়ি জমান অজস্র পর্যটক। তবে এদের বড় একটি অংশ আসেন যৌনতার আকর্ষণে। শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নয়, মনপছন্দ নাবালক যৌনসঙ্গী সুলভে মেলে এই দেশে।

 

২) রাশিয়া: গত এক দশকে রাশিয়ায় দেহ ব্যবসার রমরমা শুরু হয়েছে। মূলত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের অন্যান্য দেশের পর্যটকরাই এখানে যৌনতার টানে ছুটে আসেন। তবে রুশ যৌন বাজারে দালালদের দাপট বেশি। তাই, দালাল থেকে সাবধান থাকাটা খুব দরকার৷

 

৩) আর্জেন্টিনা: ১৮৮৭ সাল থেকে এদেশে বৈধতা পেয়েছে সমকামিতা। এই কারণে আর্জেন্টিনায় সমকামী দেহ ব্যবসায়ীদের চাহিদা তুঙ্গে। সরকারের পক্ষথেকেও সমকামী পর্যটকদের আকর্ষণ করতে নানা উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। যৌন পর্যটনের হাত ধরেই অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চাইছে মারাডোনার দেশ।

 

৪) বুলগেরিয়া: যৌন পর্যটনের পীঠস্থান সানি বিচ রিসোর্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে বাস্তব ও কল্পনার অভাবনীয় মিশেল। শোনা যায়, এই সৈকতে প্রতিদিন কয়েক হাজার দেহ ব্যবসায়ী ভিড় জমান। তাঁদের অনেকেই আসেন প্রতিবেশী দেশ থেকেও।

 

৫) দক্ষিণ কোরিয়া: এদেশে যৌনতা নিয়ে শুচিবায়ু নেই। ক্ষণিকের শয্যাসঙ্গী জোগাড় করতে বিশেষ পরিশ্রম করতে হয় না। গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে রয়েছে একাধিক এসকর্ট সার্ভিসের ব্যবস্থা। হোটেলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘর ভাড়াও মেলে সুলভে।

 

৬) কলম্বিয়া: অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা বলে যৌন পর্যটনস্থল হিসেবে ইদানীং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই দেশ। দরিদ্র দেশে এসে নামমাত্র খরচে দেদার ফূর্তি লুটতে প্রতি বছর পাড়ি জমান ইউরোপ ও আমেরিকার পর্যটকরা।

 

৭) কম্বোডিয়া: দুনিয়ার অন্যতম বড় যৌন ব্যবসা চালায় এই দেশ। কিন্তু তার বেশির ভাগই অবৈধ। তবে আইনের ফাঁক গলে অবাধ যৌনতার হাতছানিতে সাড়া দিতে প্রতি বছর ছুটে আসেন বিশ্বের কামতাড়িত মানুষ।

 

৮) প্রাহা: স্লোভাকিয়ার প্রাহা শহর ১৯৮৯ সাল থেকে ইউরোপের যৌনতার রাজধানী তকমা পেয়েছে। অসংখ্য জেন্টলম্যানস ক্লাব অথবা রিল্যাক্সেশন ক্লাবে অল্প খরচে শরীরী বিনোদনের সম্ভার মেলে। হিংসাত্মক ঘটনাও এখানে সংখ্যায় খুব কম।

 

৯) নেপাল: রাজধানী কাঠমান্ডু এবং পোখরা ও তরাইয়ের শহরাঞ্চলে দেহ ব্যবসা রমরমা। বাণিজ্য জমে উঠে হোটেলের দামি ঘর থেকে শুরু করে নিষিদ্ধপল্লির অন্ধকার আস্তানামায় যৌন ব্যবসায়ীর বসত ভিটেতেও। কাঠমান্ডুর থামেলে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে ম্যাসাজ পার্লার, যেখানে অবৈধ দেহ ব্যবসার পসার সাজানো। এছাড়া বিভিন্ন রেস্তোরাঁর কেবিন ও ডান্স বারগুলিতেও মিলবে অফুরন্ত দেহজ বিনোদনের সম্ভার।

 

১০) থাইল্যান্ড: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যৌনতার নয়া ঠিকানা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে থাইল্যান্ড। ব্যাঙ্ককের বিখ্যাত দপিং পিংদ শো-ই হোক অথবা বিভিন্ন স্পা-এর ছদ্মবেশে যৌনতার আস্তানা। দেশজুড়ে অবাধ ও নিরাপদ দেহ ব্যবসার রমরমা বছরভর। তাই দেশটি বিশ্বের নানা দেশের নারী-পুরুষরকে সহজেই আকৃষ্ট করছে।

 

১১) জামাইকা: শুধুমাত্র দেশের দেহ ব্যবসায়ীরাই নন, ভ্রমণরত বহু মহিলা পর্যটকও এদেশে শরীর বিকোতে দ্বিধাবোধ করেন না।

 

১২) কেনিয়া: আফ্রিকার এই দেশে যৌন ব্যবসার নানা রূপ। স্ট্রিপ ডান্স বার থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট ও স্পা-তে সুলভে দৈহিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এমনকি ছুটি কাটাতে এসে টানা কয়েক দিনের জন্যও সঙ্গী মেলে কেনিয়ায়।

 

১৩) ম্যাকাউ: চিনের যৌন ব্যবসা বৃদ্ধির পিছনে নানা কারণ রয়েছে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে যৌন তৃপ্তির খোঁজে ভিড় জমান। সস্তায় নারীদেহ পাওয়ার এমন সুযোগ পৃথিবীর কম দেশেই মেলে।

 

১৪) লাটভিয়া: পূর্ব ইউরোপের এই দেশে যৌনতার আধিক্য বছরভর পর্যটক সমাগমের অন্যতম কারণ। এছাড়া এদেশে মদের দামও বেশ সস্তা। ছুটিতে অঢেল ফূর্তি করতে এই কারণেই লাটভিয়াকে ইদানীং পাখির চোখ করেছে ইউরোপ।

 

১৫) ভেনেজুয়েলা: ভেনেজুয়েলার মার্গারিটা দ্বীপে অসংখ্য রিসর্টে যৌনতার অবাধ আয়োজন। এদেশে যৌন ব্যবসা বৈধ। পর্যটন-ক্লান্ত পুরুষদের অভ্যর্থনা জানাতে হোটেলের লবিতে নগ্ন সুন্দরীদের সারিবদ্ধ উপস্থিতি রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টা হিসেবে এখানে যৌনকর্মীদের ভাড়া করার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কামতাড়িতা মধ্যবয়সীনিদের জন্য তরতাজা তরুণও এখানে সহজলভ্য।

 

১৬) আমস্টারডাম: কথিত আছে, নেদারল্যান্ডের এই শহরেই বিশ্বের সেরা সুন্দরী দেহ ব্যবসায়ীদের দেখা মেলে। এখানে যৌন ব্যবসা সম্পূর্ণ বৈধ ও সরকার নিয়ন্ত্রিত বলে অত্যন্ত নিরাপদ। এখানকার যৌন ব্যবসার খ্যাতি সারা বছর কয়েক কোটি পর্যটককে আকর্ষণ করে।

 

১৭) লাস ভেগাস: আমেরিকার এই শহর সব পেয়েছির ঠিকানা। শহরে যৌনতার রমরমা সম্পর্কে ইঙ্গিত করতে বলা হয়, হোয়াট হেপেনস্ ইন ভোস, রিমেইনস ইন ভেগাস। এখানে যৌনতা শুধু ব্যবসা অথবা বিনোদন নয়, শরীরী ভাষা উদযাপনেরও মাধ্যম। মরুভূমি অধ্যূষিত নিসর্গে অচেনা সঙ্গীর দেহজ সান্নিধ্য বেঁচে থাকার ক্ষণিক রসদ জোগায় বই কি!

 

১৮) গ্রিস: ব্যবসায়িক যৌনতা বৈধ গ্রিসে। প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর অন্তর চিকিতৎসকরা দেহপসারীনিদের বিনামূল্যে পরীক্ষা করেন। তবে এখানে বহু মহিলাই বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পাচার হয়ে আসেন। গ্রিসের দেহ-দাস প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

 

১৯) তেল আভিভ: গোটা ইজরায়েলের মতোই এই শহরেও যৌনতা নিয়ে কোনও লুকোছাপা নেই। বিশ্বের যৌন পর্যটনের তালিকায় অবশ্য সদ্য নাম তুলেছে তেল আভিভ।

 

২০) বাহারিন: তথাকথিত রক্ষণশীল এই দেশটিতে ইদানীং দেহ ব্যবসা বেশ রমরমা। খরচও পড়ে ইউরোপের তুলনায় অনেক কম।

 

২১) জাপান: বিশ্বের যৌন পর্যটন মানচিত্রে জাপানি সেক্স ট্যুরের চাহিদা এখন প্রবল। দস্তুর মতো পরিকল্পনার মাধ্যমে বিভিন্ন বাজেটের যৌন পর্যটনের ব্যবস্থা রয়েছে এদেশে।

 

২২) ব্রাজিল: শুধুমাত্র ফুটবল বা কফি নয়, লাতিনীয় সুন্দরীদের দেহের ভাঁজে কুপোকাত গোটা দুনিয়া। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই যৌন পর্যটনের অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে গত এক দশকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ব্রাজিল। দেহ-বিলাসের বিবিধ উপকরণের সম্ভার আছে এখানে।

 

২৩) কোস্টারিকা: জলপাই রঙা ত্বক, ভরাট নিতম্ব ও গভীর স্তন বিভাজিকায় সমৃদ্ধ সেদেশের নারী। দেহ ব্যবসার হাত ধরে দেদারছে ডলার কামাচ্ছে দেশটি।

 

২৪) কানাডা: যৌনতার বাজারে সবে খাতা খুলেছে কানাডা। আমেরিকানরাই এখানকার দেহ ব্যবসায়ীদের প্রধান খদ্দের। যৌনতা সম্পর্কে এখানকার ঢিলেঢালা আইন প্রতি বছর কাতারে কাতারে পর্যটককে আকর্ষণ করছে কানাডার নানা প্রান্তে।


Top