আত্মীয়ের মিথ্যা পরিচয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে জেল-জরিমানা | daily-sun.com

আত্মীয়ের মিথ্যা পরিচয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে জেল-জরিমানা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৬:৪১ টাprinter

আত্মীয়ের মিথ্যা পরিচয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে  জেল-জরিমানা

নিকট আত্মীয়ের মিথ্যা পরিচয়  দিয়ে শরীরে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে চাইলে   দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন ২০১৭ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে এ ক্ষেত্রে উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আইনের অন্যান্য যেকোনো বিধি লঙ্ঘন করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান করা হয়।

 

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিমার্জিত ও পুনর্গঠিত হয়েছে এবং আইনে কিছু বিষয় সংযোজিতও হয়েছে।

 

আশরাফ শামীম বলেন, কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা-নানি, দাদা-দাদি, নাতি-নাতনি এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোন।

 

তিনি বলেন, আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন, ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রী। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তবে চোখ ও অস্থিমজ্জা সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হওয়ার আবশ্যকতা নেই বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

 


Top