বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: হাইকোর্টের রায় ৬ আগস্ট | daily-sun.com

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: হাইকোর্টের রায় ৬ আগস্ট

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৩:৫৬ টাprinter

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: হাইকোর্টের রায় ৬ আগস্ট

 

ছাত্রলীগ ক্যাডারদের হাতে নির্মমভাবে খুন দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর আগামী ৬ আগস্ট রায় দেবেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৭ জুলাই) বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নজিবুর রহমান। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আইনজীবী শাহ আলম। 


গত ১৬ মে হাইকোর্টে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথরেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। এবং গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মামলার ডেথরেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়।


২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। 
 
 
এদিকে, নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, এমদাদুল হক এমদাদ, কাইয়ুম মিয়া টিপু, সাইফুল ইসলাম, রাজন তালুকদার (পলাতক) ও মীর মো. নূরে আলম লিমন (পলাতক)।


যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন এইচ এম কিবরিয়া, গোলাম মোস্তফা, খন্দকার ইউনুস আলী, মনিরুল হক পাভেল, তারিক বিন জোহর তমাল, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম (২), কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন। তাঁদের মধ্যে কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা ছাড়া বাকিরা পলাতক।


এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। 
  

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের  ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডাররা ছাত্রশিবির কর্মী ভেবে নির্মমভাবে খুন করেন দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাসকে। শাখারীবাজারে তার দর্জি দোকান ছিল। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার।  গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে। 
  

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২১ আসামির মধ্যে ৮ জন কারাবন্দী আর বাকিরা পলাতক।

 


-->
Top