উপকূল অতিক্রম করেছে ‘মোরা’, জারি থাকবে বিপদ সংকেত | daily-sun.com

উপকূল অতিক্রম করেছে ‘মোরা’, জারি থাকবে বিপদ সংকেত

ডেইলি সান অনলাইন     ৩০ মে, ২০১৭ ১১:৪৭ টাprinter

উপকূল অতিক্রম করেছে ‘মোরা’, জারি থাকবে বিপদ সংকেত

 

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে ভোলা, হাতিয়া, চাঁদপুর অঞ্চলে অবস্থান করছে। এ অবস্থায় উপকূলীয় অঞ্জলে বিপদ সংকেত জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার (৩০ মে) বেলা ১১টায় আবহাওয়া অধিদফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।


শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোরা মঙ্গলবার ভোর ৬টায় বাংলাদেশ অতিক্রম শুরু করে। এরপর ধীরে ধীরে শক্তি কমতে থাকে ঝড়টির। তবে আমরা এখনও আশঙ্কামুক্ত নই।’


তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে এখনও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।

 


এর আগে সকাল ৯টার দিকে শামসুদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বেলা ১১টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হানে। তবে ঝড়ের তীব্রতা আর না বাড়লে এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে।

 
তিনি আরও জানান, ‘মোরা’র প্রভাবে ভোরে টেকনাফে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার ও সেন্টমার্টিনে ১১৪ কিলোমিটার। তবে এ ঘূর্ণিঝড়টি বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন গতিবেগে আঘাত হেনেছে। মোরা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে নিম্নচাপে পরিণত হবে।


শামসুদ্দিন আহমেদ আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরা সিলেট হয়ে ভারতের মণিপুরে গিয়ে শেষ হবে। তবে সিলেটে ঝড় বা বাতাস না হলেও হালকা বা ভারী বৃষ্টি হতে পারে।


এদিকে, আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়াও মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

 


Top