চলে গেলেন বিখ্যাত পিয়ানো বাদক রবার্ট মাইলস | daily-sun.com

চলে গেলেন বিখ্যাত পিয়ানো বাদক রবার্ট মাইলস

ডেইলি সান অনলাইন     ১১ মে, ২০১৭ ১৫:২৫ টাprinter

চলে গেলেন বিখ্যাত পিয়ানো বাদক রবার্ট মাইলস

মাত্র ৪৭ বছর ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে  মারা গেছেন বিশ্বের অন্যতম পিয়ানো বাদক ও ডিজে রবার্ট মাইলস। তিনি  ব্রিট অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী  মিউজিশিয়ান।

রবার্ট মাইলসের পুরো নাম রবার্টো কনসিনা। মাইলসএর বন্ধু জো ভ্যানেলি সংবাদমাধ্যমকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, 'হ্যাঁ তিনি মারা গেছেন, এটা একটা ট্র্যাজেডি। '

 

ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম লা রিপাব্লিকার বরাত দিয়ে স্কাই নিউজ জানিয়েছে, রবার্ট মাইলস স্পেনের ইবিজিয়া আইল্যান্ডের তার নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন বলেও জানাও হয়। মাইলস সেখানে একটি রেডিওতে হোস্ট হিসেবে কাজ করতেন।

 

ইতালিয়ান পিয়ানিস্ট রবার্ট মাইলস এর বাবা মানবিক ত্রাণকার্যের জন্য তৎকালীন যুগোশ্লাভাকিয়ায় ছিলেন। সেখান থেকে যুদ্ধ বিধস্ত শিশুদের ছবি নিয়ে যথাসময়ে ফিরে এলেন তিনি। সে মর্মান্তিক ছবিগুলি দেখে অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়েছিলেন রবার্ট মাইলস। ১৯৯৪ সালে কম্পোজ করলেন ‘চিলড্রেন’।

এরপর ইউরোপীয় পিয়ানো মিউজিকের ইতিহাসে সংযোজিত হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়।

 

মাইলস ইতালিয়ান হলেও তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯৬৯ সালের ৩ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডের নিউশ্যাতেলে । পরে অবশ্য রবার্টের পরিবার সুইজারল্যান্ড থেকে ইতালিতে চলে যায়। ছেলেবেলায় গান বাজনায় তেমন আহামরি ছিলেন না। তবে পিয়ানো হাত ছিল ভালো। তরুণ বয়েসে স্থানীয় ক্লাবে ডিজে হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু।   তারপর ১৯৯৪ সালে সেই যুগোশ্লাভাকিয়ার যুদ্ধাহত শিশুদের ছবি দেখে কম্পোজ করলেন চিলড্রেন –ট্র্যাকটার অফিসিয়াল রিলিজ অবশ্য ১৯৯৫ সালে। সারা ইউরোপ তোলপাড় তুলেছিল চিলড্রেন। সে আঁচ লেগেছিল বাংলাদেশেও।

 

'চিলড্রেন' ইউরোপের ১২ টি দেশে এক নম্বরে ছিল, যুক্তরাজ্যে টানা ১৭ সপ্তাহ দুই নম্বরে ছিল। এছাড়াও অ্যালবাম বিক্রি হয়েছিল ৬ লাখ। ১৯৯৭ সালে নবাগত হিসেবে ব্রিট অ্যাওয়ার্ড জয় করেন।

 


Top