কুমিল্লায় অপারেশন স্ট্রাইক আউট শেষ: জঙ্গি আস্তানায় কাউকে পাওয়া যায়নি | daily-sun.com

কুমিল্লায় অপারেশন স্ট্রাইক আউট শেষ: জঙ্গি আস্তানায় কাউকে পাওয়া যায়নি

ডেইলি সান অনলাইন     ৩১ মার্চ, ২০১৭ ১৭:৩৩ টাprinter

কুমিল্লায় অপারেশন স্ট্রাইক আউট শেষ: জঙ্গি আস্তানায় কাউকে পাওয়া যায়নি

 

কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকার জঙ্গি আস্তানায় শুরু হওয়া 'অপারেশন স্ট্রাইক আউট' শেষ হয়েছে। তবে ওই আস্তানায় কোনও জঙ্গি পাওয়া যায়নি বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শফিকুল ইসলাম।

যদিও এর আগে দুপুরে অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, ওই আস্তানায় গ্যাস প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওই জঙ্গি আস্তানা থেকে আনুমানিক ২৬/২৭ বছরের এক যুবককে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।


শফিকুল ইসলাম বলেন, সন্দেহভাজন ওই আস্তানায় কোনো জঙ্গিকে পাওয়া না গেলেও কয়েকটি বোমা পাওয়া গেছে। সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। সন্ধ্যার মধ্যে নিষ্ক্রিয়ের কাজ  শেষ করতে পারলে সন্ধ্যার পর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।


অভিযান সংশ্লিষ্ট সোয়াট-এর একটি সূত্র জানায়, বাড়িটির দোতলায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ ছাড়া অন্য সব কক্ষ তল্লাশি শেষ হয়েছে। সেখানে সুইসাইডাল ভেস্ট ও কিছু বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে। তবে কারও অবস্থান পাওয়া যায়নি।


যদিও এর আগে দুপুরে অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, ওই আস্তানায় গ্যাস প্রয়োগ করা হয়েছে।

এতে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওই জঙ্গি আস্তানা থেকে আনুমানিক ২৬/২৭ বছরের এক যুবককে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।


জঙ্গিদের অচেতন করতে সোয়াত সদস্যরা বাড়িটির জানালা দিয়ে ভেতরে গ্যাস আর পানি দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় এক পুলিশ সদস্যকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওই বাড়ি থেকে আনুমানিক ২৬/২৭ বছরের এক যুবককে বের করে আনা হয়। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।


পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, জঙ্গি আস্তানায় জানালা দিয়ে গ্যাস দেয়ার সময় সৈকত নামে এক পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।


অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলের পাশের প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। স্থানীয়দের বাড়িটি সংলগ্ন সড়কে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।


চট্টগ্রাম থেকে আসা সোয়াতের একটি টিম ছাড়াও র‌্যাব, পুলিশ, ক্রাইম সিন ইউনিট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো অভিযানের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।


এক জঙ্গির দেয়া তথ্যে, বুধবার বিকালে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতি গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন ড্রাইভারের নির্মাণাধীন তৃতীয় তলা বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে আইনশৃংখলা বাহিনী। তবে বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচন থাকায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটকেন্দ্র সংলগ্ন ওই বাড়িতে অভিযান স্থগিত রাখা হয়।


স্থানীয়রা জানান, তিনতলা বাড়িটির উপরতলা নির্মাণাধীন। দুই ইউনিটের ওই বাড়ির নীচতলা ও দোতলা ম্যাচ হিসেবে ৩ মাস আগে ভাড়া দেয়া হয়।

 


Top