মাটিতেই শুয়েই কারাগারে প্রথম রাত কাটল শশীকলার | daily-sun.com

মাটিতেই শুয়েই কারাগারে প্রথম রাত কাটল শশীকলার

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ১৮:১৯ টাprinter

মাটিতেই শুয়েই কারাগারে প্রথম রাত কাটল শশীকলার

 

 

এসি, ফ্যান আর বিছানা দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কোনোটাই পেলেন না শশিকলা। কারাগারে প্রথম রাত তাই মাটিতে শুয়েই কাটল ৯২৩৪ নম্বর বন্দির। দু’জনের সঙ্গে ১০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং ৮ ফিট প্রস্থের কুঠুরি ভাগ করতে হয়েছে তাঁকে। এক সহবন্দী ননদ ইলাবরাসি কি না জানা যায়নি। শোওয়ার জন্য খাট দেয়া হবে কি না, বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা।

 

কারাগারে প্রবেশের সময় সঙ্গে সাম্বার, ভাত আর ফল এনেছিলেন। বুধবার রাতে সেই খাবার খেয়েই শুয়েছিলেন। এদিন ভোর ৫টায় উঠে প্রাতরাশে খান তেঁতুল দেয়া ভাত আর চাটনি। জেলরক্ষীরা জানালেন, সকালে উঠে কয়েক মিনিট ধ্যানও করেছেন শশী। জেলে নাকি তাঁকে মোমবাতি এবং ধূপ তৈরির কাজ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ জন্য প্রতিদিন ৫০ টাকা বেতন দেয়া হবে। তবে কোনো ছুটি নেই। যদিও এক কারারক্ষী জানালেন, বন্দিকে কী কাজ দেয়া হবে, এত তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেয়া হয় না। জেলে ঢোকার সময় তিনটি শাড়ি আর ব্লাউজ দেয়া হয়েছে।

 

বুধবার বিকেল ৫টার পর কর্নাটকের পারাপ্পানা আগ্রহারা সেন্ট্রাল কারাগারে ঢোকেন শশী এবং ইলাবরাসি। ২০১৪ সালে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার সঙ্গে এই কারাগারেই ৩ সপ্তাহ ছিলেন শশী। গতকাল কারাগারে ঢুকে ঘড়ি, সোনার চেন জমা রাখেন তিনি। ৪০ মিনিট অপেক্ষার পর তাঁর মেডিক্যাল চেকআপ করানো হয়। ডায়াবেটিস রয়েছে জানিয়ে প্রথম শ্রেণীর কুঠুরি চেয়েছিলেন শশী।

 

এ ধরনের কুঠুরিতে টিভি থাকে। বাড়ি থেকে খাবার আনানোর সুবিধা পান বন্দিরা। কিন্তু শশীর এই অনুরোধ খারিজ হয়েছে। তাই তাঁকে আর পাঁচজন বন্দির মতোই কাটাতে হবে। ‌‌‌বিশেষ সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ শশীর দল। এআইএডিএমকে কর্নাটক শাখার সম্পাদক ভি পুগাঝেন্দি বলেছেন, ‘‌জেলের কর্মীরা চিনাম্মার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। উনি সারারাত ঘুমাতে পারেননি। ’

সূত্র: আজকাল

 


Top