প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামার শেষ সংবাদ সম্মেলন আজ | daily-sun.com

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামার শেষ সংবাদ সম্মেলন আজ

ডেইলি সান অনলাইন     ১৮ জানুয়ারী, ২০১৭ ১২:২২ টাprinter

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামার শেষ সংবাদ সম্মেলন আজ

 

 

বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আজ বুধবার শেষবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জোশ আর্নেস্ট। ক্ষমতা ছাড়ার দুইদিন আগে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী শুক্রবারই নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে বিদীয় প্রেসিডেন্ট ওবামার কড়া সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া।  
 

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে আমেরিকানরা শেষবারের মতো কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে ওবামার বক্তব্য শুনবেন। বিদায়ী প্রেসিডেন্টদের এই ধরনের সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের           ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। ২০০৯ সালে জর্জ ডাব্লিউ বুশ ক্ষমতা ছাড়ার আট দিন আগে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন। ওবামার এই সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হ্যাকিং ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  
 

সিএনএন জানায়, কাল বৃহস্পতিবারের দিনটি নীরবেই কাটাবেন প্রেসিডেন্ট ওবামা।

এরপর শুক্রবার সকালে হোয়াইট হাউসে শেষবারের মতো ঘুম থেকে উঠবেন প্রেসিডেন্ট ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাসহ তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর তারা নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানাবেন এবং একটি চা চক্রে অংশ নিবেন। শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্পের উদ্বোধনী বক্তব্যে অংশ নিবেন ওবামা। এরপর ওবামা ও মিশেল ওবামা একটি হেলিকপ্টারে করে এয়ারবেস অ্যান্ড্রিউসে যাবেন। সেখানে তারা হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের কাছে বিদায় নেবেন। পরে তারা দীর্ঘ ছুটিতে যাবেন। তবে কোথায় তারা ছুটি কাটাবেন সেই বিষয়ে জোশ আর্নেস্ট কিছু জানাননি।  
 

উত্তর কোরিয়া ওবামার সমালোচনা করে বলেছে, পরমাণু অস্ত্রের দিকে তার মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তাকে ব্যাগ গোছানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার সাতজনকে কালো তালিকাভুক্ত করে মার্কিন অর্থ দপ্তর। পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। এদের মধ্যে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের বোনও আছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান সর্বনিম্নে।

 

 


Top