EN ☀️
×

Follow Us

রাজনীতি

সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার হবে, ব্যবসায়ী-নেতাকর্মীরা উপকৃত হবেন: হুইপ নিজান

ডেইলি সান রিপোর্ট, লক্ষ্মীপুর

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪২ পিএম

সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার হবে, ব্যবসায়ী-নেতাকর্মীরা উপকৃত হবেন: হুইপ নিজান

কমলনগর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‍দিচ্ছেন হুইপ আরশাদ উদ্দিন নিজান।

অ অ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ভবিষ্যতে সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এ.বি.এম. আরশাদ উদ্দিন নিজান। তিনি বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপকৃত হবেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে কমলনগর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে হুইপ নিজান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “সাংবাদিক বন্ধুগণ, অনুগ্রহ করে এ ভিডিও ক্লিপ নেওয়া যাবে না।” এরপর উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা ভিডিও ধারণ বন্ধ করে দেন।

টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব প্রকল্পের বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অবগত আছেন। এককালীন এক কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই থেকে তিন লাখ টাকা করে ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইজারা ও টেন্ডার কম মূল্যে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

হুইপ নিজান বলেন, কমলনগরের প্রায় ৮৮ শতাংশ মানুষ দরিদ্র। তাই স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের কাছে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে তাঁদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে হুইপ নিজান বলেন, “ওনার পিঠের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবুও তিনি প্রতিশোধ নেননি। কেউ যদি আমার মাকে গালি দেয়, আমিও প্রতিশোধ নেব না। কারণ প্রতিহিংসা করে কোনো জাতি বা সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না।”

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাতুজ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ পাটোয়ারী, উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল খায়ের, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন