EN ☀️
×

Follow Us

রাজনীতি

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে অত্যন্ত আপত্তিকর, অপমানজনক এবং জাতীয় লজ্জার বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দেন।  

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপরাধ ও অনুপ্রবেশের অজুহাতে ‘সীমান্ত হত্যার’ সংজ্ঞা সংকুচিত করে এই গভীর সংকটকে হালকা করার চেষ্টা করেছেন। তার দাবি, কেউ দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত হলে তাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না। একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিত্বের মুখ থেকে এমন আপসকামিতার বক্তব্য গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বক্তব্যের তিন দিন পার হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্টীকরণ বা দুঃখপ্রকাশ আসেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও এর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বা নিন্দা জানানো হয়নি। ফলে এটি ধরে নেওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্যই সীমান্ত হত্যা নিয়ে বর্তমান সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।

বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার নীতি এবং জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী নিরস্ত্র সাধারণ নাগরিকের ওপর যেকোনো ধরনের নির্যাতন বা নির্বিচার গুলি চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতের সময়েও বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর সহিংসতা চালানো আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য জাতিসংঘের নীতিমালায় স্পষ্ট বলা আছে যে, নিরাপত্তা বাহিনী কেবল প্রয়োজনীয় এবং আনুপাতিক বলপ্রয়োগ করতে পারে। যেকোনো ধরনের অতিরিক্ত বা নির্বিচার প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

নাহিদ ইসলাম তার বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২০ সালে বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনও সীমান্ত হত্যা নিয়ে অনুরূপ দাসত্বসুলভ ও আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে জনগণের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। ভারতের প্রতি সেই নতজানু নীতি শেষ পর্যন্ত ওই শাসনব্যবস্থাকে ইতিহাসের ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করেছে।

আরও পড়ুন