EN ☀️
×

Follow Us

রাজনীতি

গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে দেশে আর স্বৈরাচারের জন্ম হবে না: মুজিবুর রহমান

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম

গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে দেশে আর স্বৈরাচারের জন্ম হবে না: মুজিবুর রহমান
অ অ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে দেশে আর কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হবে না। তিনি বলেন, ‘যারা নতুন করে স্বৈরাচার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তারা গণভোটের রায় মেনে নিতে পারছে না। কিন্তু ছাত্র-জনতার নতুন বাংলাদেশে আর কাউকে স্বৈরাচার হয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।’

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জনগণ যদি গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে নামে, তাহলে তা কারও জন্যই শুভ হবে না। সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘অতীতের শিক্ষা ভুলে গেলে চলবে না। জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।’

শিক্ষাশিবিরে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, দীর্ঘ দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা, গুম ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও জামায়াতে ইসলামী জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা জামায়াতকে নির্মূল করতে চেয়েছিল, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় তারাই একসময় রাজনৈতিকভাবে হারিয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন দিলেও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এমন অপচেষ্টা হতে পারে।’ এ কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে সঞ্চালনা করেন মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।

সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জনগণ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে চাইলেও ভোট কারচুপির মাধ্যমে সেই প্রত্যাশা নস্যাৎ করা হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে।

তিনি সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রশাসন, গণমাধ্যম, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী একটি মানবিক ও আদর্শিক সংগঠন। তাই দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা আবদুস সালাম। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, মজলিসে শুরার সদস্য এবং থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন