EN ☀️
×

Follow Us

রাজনীতি

ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি করবেন না, দিরাই-শাল্লায় সাম্প্রদায়িকতার ঠাঁই নেই: শিশির মনির

দিরাই-শাল্লায় ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ ও ‘সাম্প্রদায়িক বিভাজন’ রুখে দেওয়ার আহ্বান শিশির মনিরের; যোগ্য প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানোর তাগিদ।

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি করবেন না, দিরাই-শাল্লায় সাম্প্রদায়িকতার ঠাঁই নেই: শিশির মনির

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, ‘দিরাই-শাল্লায় সাম্প্রদায়িকতার কোনো জায়গা নেই। যারা ভোটের রাজনীতিতে ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করতে চায়, তারা আসলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী। দয়া করে ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতিতে আমাদের দাঁড় করাবেন না।’

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিরাই উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নে আয়োজিত ‘ঐক্য ও সম্প্রীতি’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী প্রচারে সাম্প্রদায়িক উসকানির সমালোচনা করে শিশির মনির বলেন, ‘যারা শাখা-সিঁদুর আর পাঞ্জাবির দোহাই দিয়ে বিভক্তি তৈরি করছে, তারা সমস্যার সমাধান করতে জানে না। কে ধুতি পরল আর কে পাঞ্জাবি, তা রাজনীতির মোক্ষম বিষয় হতে পারে না। আমি সাম্প্রদায়িকতার কোনো চিহ্ন রাখতে চাই না।’

তিনি বলেন, যারা ভোট কে কেন্দ্র করে বিভক্ত তৈরি করার চেষ্টা করছেন, ১২ তারিখ খেলা শেষ, ১৩ তারিখ আপনারা কী করবেন, কোথায় যাবেন। এলাকা ছেড়ে চলে যাবেন, আমি চলে যাবো, না। আমরা সবাই থাকবো, তাহলে কেন এমনটা করছেন।

প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তকে স্মরণ করে শিশির মনির বলেন, মানুষ কেন তাকে চিনে কারণ তিনি যখন সংসদে খুর দার বক্তব্য দিতেন তখন যে যে দলেরই ছিলো না কেন মনোযোগ দিয়ে শুনতেন, বুঝতেন আর কোন কোন পয়েন্ট রাখা দরকার, শিক্ষা নেয়া যায় তা কাগজ কলমে নোট করতেন, কারণ তার জ্ঞান ছিলো, তিনি জানতেন, তার সামর্থ্য ছিলো। 

তিনি জানান, যদি আপনারা আমাকে সত্যিকার অর্থে সংসদে পাঠানোর চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি আমি সংসদে গিয়ে আপনাদের পক্ষের হয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক দৃষ্টান্তকারী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবো। এই বিতর্ক আইন, সংবিধান, জ্ঞান, শক্তি, কথা বলার সামর্থ্য না থাকলে হবে না, আর এর কোনোটাই যদি আপনাদের পাঠানোর প্রতিনিধি না থাকে তাহলে দিরাই শাল্লা অসম্মান ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। শুধু মার্কা দিয়ে হবে না।

শিশির মনির বলেন, আমাদের বিরোধী পক্ষ বলুক, তারা কেউ যদি বলতে পারে কারো জমি দখল করেছে অভিযোগ দিতে তাহলে শত শত অভিযোগ পরবে। আমি ও বলছি আমার বিরুদ্ধে কেউ যদি বলতে পারে কারো জমি দখল করেছি, ভয় দেখিয়েছি তাহলে আমার নির্বাচন করার দরকার নাই। নিজের স্বাধীনতা নষ্ট হলে বাংলাদেশের শান্তি থাকবে না। সংখ্যালঘু মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে কারণ আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। কোনো ধর্মের মানুষকে সংকীর্ণ রাজনীতির মধ্যে থাকা উচিত নয়।

এসময় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী, কর্মী সমর্থকগণ সহ স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন