EN ☀️
×

Follow Us

জীবনযাপন

পছন্দের জিনিস না পেলেই কান্না, শিশুদের এই স্বভাবের নেপথ্যে কী?

জীবনযাপন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

পছন্দের জিনিস না পেলেই কান্না, শিশুদের এই স্বভাবের নেপথ্যে কী?

শপিং মলে খেলনার জন্য কান্নারত শিশু। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

শপিং মল বা মেলায় পছন্দের খেলনা না পেয়ে শিশুর চিৎকার, কান্নাকাটি কিংবা মেঝেতে শুয়ে পড়ার দৃশ্য অনেক বাবা-মায়ের কাছেই পরিচিত। প্রকাশ্য স্থানে এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বিব্রত হন। একে আমরা সাধারণত শিশুর জেদ বা দুষ্টুমি ভাবি। তবে মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি গভীর কারণ।

১. আবেগ নিয়ন্ত্রণের অক্ষমতা

ছোট শিশুদের মস্তিষ্কের যে অংশটি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে, সেটি পুরোপুরি বিকশিত হতে বেশ সময় নেয়। বড়রা যেভাবে নিজেদের আকাঙ্ক্ষা বা খারাপ লাগাকে যুক্তি দিয়ে সামলাতে পারেন, শিশুরা তা পারে না। তাই কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি না পাওয়ার হতাশা তারা কান্নার মাধ্যমে প্রকাশ করে।

২. যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম

অনেক সময় ছোট শিশুরা তাদের ভেতরের তীব্র অনুভূতি বা ইচ্ছার কথা বড়দের মতো গুছিয়ে বলতে পারে না। যখন তাদের মনের ভেতরের ইচ্ছা বা অধিকারবোধ উপেক্ষিত হয়, তখন তারা কান্না বা জেদকে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। এটি আসলে তাদের মনের তীব্র না-বলা কথার এক ধরণের বহিঃপ্রকাশ।

৩. তাৎক্ষণিক প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা

শিশুদের মধ্যে ‘ধৈর্য’ বা ‘ভবিষ্যতে পাওয়ার’ ধারণাটি খুব কম থাকে। তারা কোনো জিনিস পছন্দ করলে তা তখনই পেতে চায়। ‘আজ না, অন্য একদিন কিনে দেব’—এই যুক্তির গভীরতা বোঝার মতো মানসিক বয়স তাদের থাকে না। ফলে তাৎক্ষণিক প্রাপ্তিতে বাধা এলে তারা সহজেই ভেঙে পড়ে।

৪. মনোযোগ আকর্ষণের কৌশল

অনেক শিশু বুঝতে পারে যে, কান্নাকাটি করলে বা জেদ ধরলে বাবা-মা চারপাশের মানুষের বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে তাদের দাবি মেনে নেন। একবার কান্নার মাধ্যমে নিজের দাবি আদায় করতে পারলে শিশুরা এটিকে একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে ধরে নেয় এবং বারবার একই আচরণ করতে থাকে।

আরও পড়ুন