EN ☀️
×

Follow Us

জীবনযাপন

দ্বিতীয় দিনে সেন্টমার্টিনে পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধি, রাত্রি যাপনের সুবিধা চালু

ডেইলি সান রিপোর্ট, টেকনাফ

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১৮ পিএম

দ্বিতীয় দিনে সেন্টমার্টিনে পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধি, রাত্রি যাপনের সুবিধা চালু

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

আজ মঙ্গলবার সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে গেছেন আরও ১ হাজার ১৯৪ পর্যটক। সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রথম দিনে যাওয়া পর্যটক ছিলেন ১ হাজার ১৭৪ জন। সরকারি অনুমতি অনুযায়ী দৈনিক দুই হাজার পর্যটক যেতে পারেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাতটায় শহরের নুনিয়াছাটা বিআইডব্লিউটিএ-জেটিঘাট থেকে তিনটি জাহাজ—এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বার আউলিয়া ও কেয়ারি সিন্দাবাদ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে। ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে জাহাজগুলো দুপুর দেড়টায় জেটিঘাটে পৌঁছায়। পরে আগের দিনে যাওয়া পর্যটকদের নিয়ে তিনটার দিকে জাহাজগুলো কক্সবাজার ফিরবে। এই ব্যবস্থায় আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকরা দ্বীপে দিন ও রাত যাপনের সুযোগ পাবেন।

জাহাজমালিক সংগঠন ‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে পর্যটক মাত্র ২০ জন বেড়েছে। সরকার নির্ধারিত দৈনিক দুই হাজারের বদলে এখন ৮০০ কম পর্যটক যাচ্ছেন। গত বছর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করেছিলেন।

নভেম্বর মাসে সরকারিক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দিনের বেলা দ্বীপ ভ্রমণ সীমিত করা হয়েছিল। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি দুই মাসে রাত যাপনের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সব নৌযান বিআইডব্লিউটিএ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া চলাচল করতে পারবে না।

পর্যটকদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টাল থেকে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল ধরা হবে।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে রাতের বেলায় সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি, বারবিকিউ পার্টি, কেয়াবনে প্রবেশ বা ফল সংগ্রহ নিষিদ্ধ। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল, পলিথিন বহন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ব্যবহারেও বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন