ডিভি লটারি চালুর আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) কর্মসূচি পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন ফেডারেল আদালত। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ স্থগিত রাখার আবেদনও জানিয়েছে মার্কিন সরকার। এতে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা ডিভি লটারি চালু হওয়া নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন সাময়িকী নিউজউইকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের জেলা আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা অভিবাসন আইনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান রেড ঈগল ল-এর করা একটি মামলায় প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ওই আদেশে ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচি পুনরায় চালু এবং লটারির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ১৯ অক্টোবর মার্কিন সরকার ওই নিষেধাজ্ঞা ও সংশ্লিষ্ট আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নোটিশ জমা দেয়। পাশাপাশি, আপিলের শুনানি চলাকালে আদালতের নির্দেশ কার্যকর না রাখার আবেদনও করে প্রশাসন।
নিবন্ধন নিয়ে অনিশ্চয়তা
২০২৫ সালের নভেম্বরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে আবেদনের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিবন্ধন শুরুর তারিখ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়েছিল। তবে ২০২৭ অর্থবছর ১ অক্টোবর শুরু হলেও নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হয়নি।
বিচারক ওহতা তাঁর আদেশে বলেন, সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা কর্মসূচি কীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হলো, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তর যথাযথ ব্যাখ্যা দেয়নি। এ ছাড়া কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করা হয়েছিল কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।
বিচারকের মতে, যথাযথ ব্যাখ্যা ছাড়া কর্মসূচি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তটি স্বেচ্ছাচারী ও খামখেয়ালিপূর্ণ ছিল। নিবন্ধন ছাড়া আবেদনকারীদের পক্ষে লটারিতে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে নিবন্ধন বন্ধ থাকায় ২০২৭ সালের কর্মসূচি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
আদালতের নির্দেশ ও সরকারের যুক্তি
আদালত মনে করেন, মামলায় রেড ঈগল ল-এর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মসূচি স্থগিত থাকলে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক ও আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। অন্যদিকে, কর্মসূচি পুনরায় চালু করলে সরকারের ওপর অন্যায্য চাপ তৈরি হবে না বলেও মত দেন বিচারক।
তবে মার্কিন সরকারের যুক্তি, নিবন্ধনের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আদালত নতুন করে লটারি চালুর নির্দেশ দিতে পারেন না। এ ছাড়া এ ধরনের নির্দেশ দেশজুড়ে কার্যকর হওয়া অনুপযুক্ত নিষেধাজ্ঞার শামিল হবে বলেও দাবি করেছে প্রশাসন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পররাষ্ট্র দপ্তরকে প্রথমে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করাসহ ২০২৭ সালে