EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ সমাধানের লক্ষ্য

যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ফের তেহরানে পাক সেনা প্রধান

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ এএম

যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ফের তেহরানে পাক সেনা প্রধান

তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান আশিম মুনির। ছবি: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

অ অ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তেহরান পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর সংকট নিরসনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য তেহরানে এটি আশিম মুনিরের পঞ্চম উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফর। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি সেখানে পৌঁছান।

পাক সেনাপ্রধানের এই ইরান সফরটি এমন এক কূটনৈতিক মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার ঠিক একদিন আগেই তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে দেশে ফিরে গেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

ইরান অবস্থানকালে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। তেহরান ছাড়ার আগে মস্কো সর্বদাই ইরানের পাশে থাকবে বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে গেছেন লাভরভ।

এদিকে, বৈশ্বিক এই কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একটি 'গোপন' বৈঠক করেছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে মুনিরের পর কাতারের একটি প্রতিনিধি দলও তেহরান সফর করেছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক সফরের একটি ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়েছে। যার মধ্যে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের তেহরানে আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী (প্রতিরক্ষামন্ত্রী) পিট হেগসেথের ইসরায়েলে অঘোষিত সফরও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনায় কাতার এবং পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। গত জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে যে আলোচনা হয়েছিল, তা সফল করতে মুনির সহায়তা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে একযোগে সামরিক হামলা শুরু করেছিল, যার রেশ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়।

আরও পড়ুন