EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

লাতিন আমেরিকায় প্রভাবের ইতিবাচকতায় যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াল চীন

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

লাতিন আমেরিকায় প্রভাবের ইতিবাচকতায় যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াল চীন
অ অ

লাতিন আমেরিকায় চীনের প্রভাবকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি ইতিবাচকভাবে দেখছেন মানুষ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের লাতিনোবারোমেত্রো জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

১৭টি দেশে পরিচালিত জরিপে ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতা চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক বলেছেন। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে ইতিবাচক বলেছেন ৫৭ শতাংশ। ১৯৯৫ সালে জরিপটি শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়নে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেল।

জরিপে কোস্টারিকা ও ডোমিনিকান রিপাবলিক ছাড়া অন্য দেশগুলোতে চীনের প্রভাবকে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। ২০২০ সালে চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক বলেছিলেন ৪৮ শতাংশ, যা এবার বেড়ে ৬৫ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই হার ৬০ শতাংশ থেকে কমে ৫৭ শতাংশে নেমেছে।

লাতিনোবারোমেত্রোর পরিচালক মার্তা লাগোসের মতে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক কম উপস্থিতি এবং চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের সঙ্গে দেশগুলোর ঘনিষ্ঠতা এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। তুলনামূলক কম দামে চীনা পণ্য আমদানির সুযোগও দেশটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও এগিয়ে

প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়নে চীন এগিয়ে থাকলেও দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি লাতিন আমেরিকার মানুষের ইতিবাচক মনোভাব বেশি। জরিপে ৬৩ শতাংশ উত্তরদাতা যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক মত দিয়েছেন। চীনের ক্ষেত্রে এ হার ৫৮ শতাংশ।

তবে ২০২৪ সালের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয়তা কমেছে। ওই বছর ৭৩ শতাংশ উত্তরদাতা যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক মত দিয়েছিলেন।

জরিপে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক করার বিষয়েও মতামত নেওয়া হয়। আর্জেন্টিনা ছাড়া প্রতিটি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তরদাতা এ ঘটনাকে সমর্থন করেছেন। তবে মাত্র ৩৫ শতাংশ মনে করেন, মাদুরোকে আটক করা ভেনেজুয়েলার জন্য উপকারী হয়েছে।

চিলিভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান লাতিনোবারোমেত্রো গণতন্ত্র, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনমত জরিপ পরিচালনা করে। ২০২৬ সালের জরিপে ৭ মে থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত ১৭টি দেশে প্রায় ১৯ হাজার ২০০ জনের মুখোমুখি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। জরিপটির ত্রুটির সীমা ১ শতাংশ।

আরও পড়ুন