দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী
টেনেসিতে চলতি বছরের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ক্রিস্টা পাইককে পরপর দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি মারা যাননি। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর বিল লি।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিল লি বলেন, আইনসম্মতভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা অঙ্গরাজ্যের ‘সবচেয়ে গুরুতর দায়িত্বগুলোর’ একটি। কী ঘটেছিল তা নির্ধারণ করতে তিনি একটি স্বাধীন পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) টেনেসির কারা কর্মকর্তারা ক্রিস্টা পাইককে পেন্টোবারবিটালের দুটি প্রাণঘাতী ডোজ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দুটি ডোজ দেওয়ার পরও তিনি মারা যাননি। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
৫০ বছর বয়সী পাইককে ১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। তৎকালীন প্রেমিক ট্যাডারিল শিপের সঙ্গে মিলে তিনি স্লেমারকে মারধর ও নির্যাতনের পর হত্যা করেন।
পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তিনি টেনেসিতে দুই শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া প্রথম নারী হতেন।
আদালতে দাখিল করা নথিতে পাইকের আইনজীবীরা বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর তাঁর জীবন রক্ষায় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। তাঁরা এই ঘটনার পর তাঁর সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন।
২০২৬ সালে এটি টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দ্বিতীয় ব্যর্থ চেষ্টা। এর আগে মে মাসে টনি ক্যারাদার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করা হয়। সে সময় প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের জন্য উপযুক্ত শিরা খুঁজে পাননি কারা কর্মকর্তারা। পরে তাঁর মৃত্যুদণ্ড এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।
