EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

ইস্তাম্বুলে মক্কা চুক্তির আওতায় বৈঠকে বসছে তিন দেশ

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

ইস্তাম্বুলে মক্কা চুক্তির আওতায় বৈঠকে বসছে তিন দেশ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

মক্কা চুক্তির আওতায় নবগঠিত আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক বৈঠক সোমবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে উপস্থিত থাকবেন তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানরা।

গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র মাধ্যমে অভিন্ন স্বার্থে একসঙ্গে এসেছে এই তিন দেশ। চুক্তির আওতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে তিন দেশই উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের সময় উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এ পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি দেশগুলোর ওপরও সরাসরি হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এই নীতি পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর পঞ্চম অনুচ্ছেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো, সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন ও উন্নয়নের মতো বিষয়ও আলোচনায় থাকবে।

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে তিন দেশের অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থ ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

তুরস্ক জানিয়েছে, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি হিসেবে পরিচিত দেশটি পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে গড়ে তোলা এই জোট ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রাখে।

জোটে নতুন সদস্য হিসেবে মিসরকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করার কথাও জানিয়েছে আঙ্কারা। তবে তুরস্কের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন এই চুক্তি কোনো বিদ্যমান সামরিক জোটের বিকল্প হিসেবে গঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন