আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ ভিসা বাতিল করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরে আশ্রয়ের আবেদন করা প্রায় ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিল করতে চায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ।
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক ভিসা বাতিলের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন হতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি নথি পেয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে সংবাদমাধ্যমটি।
নথি ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশিদের মধ্য থেকে প্রায় ২ লাখ ব্যক্তির ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এপি। তিনি পরিকল্পনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনেক বিদেশি স্বল্পমেয়াদি সফরের জন্য অ-অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং পরে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব আবেদনকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান পিগোট।
তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হতে পারে, তা নিশ্চিত করেননি তিনি। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে পিগোট বলেন, প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান। ফলে শেষ পর্যন্ত কতজনের ভিসা বাতিল হতে পারে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
ব্যবসায়িক কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য বি-১ ভিসা দেওয়া হয়। আর পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা চিকিৎসার মতো উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসা দেওয়া হয়।
তবে ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসব ভিসায় কত বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, সে বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।