প্রিন্টঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬
ইরান যুদ্ধ শুরু থেকে ৭৭৫-এর বেশি মার্কিন সেনা হতাহত
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশঃ ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭৭৫ জনের বেশি মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ৭৫৭ জন মার্কিন সেনা আহত এবং ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
বুধবার পেন্টাগনের হতাহতের তালিকায় নতুন করে ৫০ জনের বেশি সেনার তথ্য যুক্ত করা হয়। এর ফলে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর মোট হতাহতের সংখ্যা ৭৭৫ ছাড়িয়েছে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা বা ‘লাইফলাইন’ দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেবে, তাদের ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। তিনি এ পরিস্থিতিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে মিত্রদেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়ে ইরানকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করার আহ্বান জানান।
তবে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও ‘পরাজয়’ বয়ে আনবে।
আরাগচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংকট—বিশেষ করে নজিরবিহীন ঋণ ও ঊর্ধ্বমুখী সুদের ব্যয়—থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেই ট্রাম্প এমন হুমকি দিচ্ছেন।
ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সামরিক সংঘাত তীব্র হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপও বাড়ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব আঞ্চলিক গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতেও আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
আন্তর্জাতিক থেকে আরও
আন্তর্জাতিক থেকে আরও
ইরান যুদ্ধ শুরু থেকে ৭৭৫-এর বেশি মার্কিন সেনা হতাহত
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭৭৫ জনের বেশি মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ৭৫৭ জন মার্কিন সেনা আহত এবং ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
বুধবার পেন্টাগনের হতাহতের তালিকায় নতুন করে ৫০ জনের বেশি সেনার তথ্য যুক্ত করা হয়। এর ফলে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর মোট হতাহতের সংখ্যা ৭৭৫ ছাড়িয়েছে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা বা ‘লাইফলাইন’ দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেবে, তাদের ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। তিনি এ পরিস্থিতিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে মিত্রদেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়ে ইরানকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করার আহ্বান জানান।
তবে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও ‘পরাজয়’ বয়ে আনবে।
আরাগচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংকট—বিশেষ করে নজিরবিহীন ঋণ ও ঊর্ধ্বমুখী সুদের ব্যয়—থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেই ট্রাম্প এমন হুমকি দিচ্ছেন।
ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সামরিক সংঘাত তীব্র হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপও বাড়ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব আঞ্চলিক গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতেও আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।