সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অগ্রগতির ইঙ্গিত, রয়ে গেছে বড় চ্যালেঞ্জ
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে লেবাননের পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে বিদ্যমান মতপার্থক্য এখনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
রবিবার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
তিনি বলেন, “গত কয়েক দিনে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখেছি। আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের আশা করছি, যেখানে সবাই একসঙ্গে কাজ করে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারবে।”
এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
ওই সমঝোতার লক্ষ্য আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত করা, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া।
ভ্যান্স জানান, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে লেবাননে বিদ্যমান নাজুক যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
তিনি বলেন, “লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে গত কয়েক দিনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে এ ধরনের সমঝোতা বাস্তবায়ন অনেক সময় জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ হয়ে থাকে।”
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচকদের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছেন এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতা অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এর আগে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।