EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২১, তাদের মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২১, তাদের মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক
অ অ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির দক্ষিণাঞ্চলের মালভিয়া নগরের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে মালভিয়া নগরের হাউজ রানি এলাকার ‘ফ্লোরিশ স্টে বি অ্যান্ড বি’ নামের একটি বাজেট হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন লাগার পর দ্রুত তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ভবনটিতে পৌঁছাতে সরু রাস্তার কারণে দমকল বাহিনীকে বেগ পেতে হয়।

দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে জীবিত উদ্ধার করেন। তবে ২১ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অথবা হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত বিদেশিদের মধ্যে চারজন নাইজেরিয়ার, দুজন কিরগিজস্তানের, দুজন মোজাম্বিকের এবং একজন করে লাইবেরিয়া ও উজবেকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডে আহতদের মধ্যে রয়েছেন আটজন বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া নেপাল, ক্যামেরুন, কেনিয়া, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া ও কাজাখস্তানের নাগরিকরাও আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজন এখনও লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশি, দুজন ক্যামেরুনের এবং দুজন লিবিয়ার নাগরিক রয়েছেন।

আহতদের দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এআইআইএমএস) ও ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজন বাংলাদেশি ও নেপালি নাগরিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, আহতদের জীবন রক্ষা ও চিকিৎসা প্রদানে তাদের দ্রুত ও নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা প্রশংসনীয়।

দিল্লি পুলিশ ও দমকল বিভাগ আগুনের উৎস এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দিল্লিতে সংঘটিত সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন