EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ১০:২৫ পিএম

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

ছবি সংগৃহীত

অ অ

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত এবং এর জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সারের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে। ফলে শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দামে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সারের চালান কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় সারের দাম বেড়ে যেতে পারে এবং ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। কারণ আমরা ফসল রোপণের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছি।

তোরিও জানান, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের মৌসুম পার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো এমন ফসলের দিকে ঝুঁকতে পারে, যেগুলো মাটিতে বেশি নাইট্রোজেন ধরে রাখতে পারে। সে ক্ষেত্রে গম ও ভুট্টার পরিবর্তে সয়াবিন চাষ বাড়তে পারে।

এ ছাড়া অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকতে পারেন, যা খাদ্য উৎপাদনে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

তোরিও বলেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতির আরও পরিবর্তন হতে পারে এবং আগামী বছর পণ্যমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যের দাম শুধু কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে না; এর সঙ্গে জ্বালানির দামও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ফলে উচ্চ পণ্যমূল্য খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, সময় যত গড়াচ্ছে, সংকট তত গভীর হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না এলে বৈশ্বিক খাদ্যব্যবস্থা বড় ধরনের চাপে পড়তে পারে। সূত্র: আল জাজিরা।

আরও পড়ুন