রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বারভিডার নতুন কর্মসূচি
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
রিকন্ডিশন্ড বা ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানি নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বারভিডা এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে চার দফা কর্মসূচি উল্লেখ করে সংগঠনটি।
এর মধ্যে রয়েছে— এদিন সংগঠনটির সদস্যদের সব শোরুম দিনব্যাপী বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে বারভিডার সদস্যদের বিক্রি করা সব ধরনের মোটরযানের নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বারভিডার সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো সব কাস্টম হাউসের মাধ্যমে আমদানি করা গাড়ির রাজস্ব পরিশোধ, ই-পেমেন্ট এবং বন্দর থেকে গাড়ি খালাসের কার্যক্রমও বন্ধ রাখবে।
এ ছাড়া সদস্যদের নিজ নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শোরুমের দৃশ্যমান স্থানে ব্যানার টাঙানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বারভিডা জানায়, ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে পুরোনো গাড়ির আদলে নতুন প্রযুক্তির মোটরযান ব্যবহারের সুযোগ থেকে গ্রাহকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
নতুন ইভির দাম মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে। তুলনামূলক কম দামে রিকন্ডিশন্ড ইভি পেশাজীবী ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। এতে অর্থনীতিতেও মূল্য সংযোজন হবে।
বারভিডার মতে, ইভির বাজার দ্রুত সম্প্রসারণ করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে মোটরযান খাতে ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণে তা সহায়ক হবে।
আশা করা যাচ্ছে সরকার জনস্বার্থে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে। তা না হলে রিকন্ডিশন্ড মোটরযান খাতের ব্যবসায়ীদের পেশা ও বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং বৃহত্তর ক্রেতাগোষ্ঠীর স্বার্থে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।