EN ☀️
×

Follow Us

বাণিজ্য

চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে বিজিএমইএর নতুন উদ্যোগ, যৌথ অংশীদারিত্বে গুরুত্ব

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:১০ পিএম

চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে বিজিএমইএর নতুন উদ্যোগ, যৌথ অংশীদারিত্বে গুরুত্ব

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করা এবং বন্ধ বা সচল কারখানায় নতুন মূলধন ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করার লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওকাইব)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিজিএমইএর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে তৈরি পোশাক খাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত যৌথ অংশীদারিত্ব (জয়েন্ট ভেঞ্চার) গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান নেতৃত্ব দেন। এ সময় সংগঠনের সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান এবং পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও সামিহা আজিম উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ওকাইবের প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা লুও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল ভিভিয়ান হুয়াং, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্টিভেন ঝাং এবং সেক্রেটারি টিনা হু।

বৈঠকে চীনা প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের আপার সাপ্লাই চেইন আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে বিদেশি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ভাষ্য, অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী হলেও নির্ভরযোগ্য ও পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ ক্ষেত্রে তারা বিজিএমইএর তথ্য সহায়তা ও সমন্বয় কামনা করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএর সভাপতি জানান, সদস্য কারখানাগুলোর কাছ থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। যেসব উদ্যোক্তা তাদের সচল বা বন্ধ কারখানায় চীনা মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করতে চান অথবা শতভাগ মালিকানা কিংবা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে যৌথ অংশীদার খুঁজছেন, তাদের কাছ থেকে কারখানার সার্বিক বিবরণ, আয়তন, যন্ত্রপাতির তথ্য, বর্তমান অবস্থা এবং প্রত্যাশিত অংশীদারিত্বের ধরন সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট কারখানার সক্ষমতা ও সম্ভাবনা মূল্যায়নের পর তা ওকাইবের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে। এই সমন্বিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্ভাব্য চীনা বিনিয়োগকারী ও দেশীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর ব্যবসায়িক সংযোগ স্থাপন করা হবে।

বিজিএমইএর মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে বন্ধ ও আর্থিক সংকটে থাকা কারখানাগুলো নতুন মূলধন ও প্রযুক্তির সহায়তায় পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারবে, অন্যদিকে দেশের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সম্প্রসারণ এবং উচ্চমূল্য সংযোজিত পোশাক উৎপাদনে বিদেশি বিনিয়োগ আরও ত্বরান্বিত হবে।

এ লক্ষ্যে আগ্রহী কারখানা মালিক ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।

আরও পড়ুন