logo
Update : 2018-09-04 16:44:37
কোর্টের মেটার অব প্রাকটিস অনুসারে বিব্রতের কারণ বলা হয় না: আটর্নি জেনারেল

কোর্টের মেটার অব প্রাকটিস অনুসারে বিব্রতের কারণ বলা হয় না: আটর্নি জেনারেল

  তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় আটক আলোকচিত্রী ও দৃক প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। তবে কেন তারা বিব্রত, তা কিছু বলেননি বলে জানিয়েছেন আটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমাদের কোর্টের মেটার অব প্রাকটিস অনুসারে বিব্রতের কারণ কখনো বলা হয় না।’ তিনি বলেন, ‘আমি এ মামলায় শুনানি করতে চেয়েছিলাম। এ জন্য প্রস্তুতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু, আদালত শুনলেন না। তাই আমার বক্তব্যও উপস্থাপন করা হয়নি।’ রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা বলেন, শহিদুল আলম আন্তর্জাতিকভাবে অনেকের সঙ্গেই যুক্ত আছেন। তাই তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে যদি স্পর্শকাতর, মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বিষয়ে লাইভ পোস্ট করা হয়, সেটিকে খাটো করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। এর আগে তিনি জানান, শহিদুল আলমের মামলাটি আজ শুনানি করতে দুই বিচারপতির একজন বিব্রতবোধ করেন। ফলে মামলাটি শুনানি হয়নি। মামলাটির পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখন এ মামলার নথিপত্র প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি আবার অন্য কোনো বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য পাঠাবেন। শহিদুল আলমকে বিনা কারণে আটকে রাখা হয়েছে বলে তার আইনজীবীদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক না।’ প্রসঙ্গত, সকালে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন শুনতে বিব্রতবোধ করেন বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। এর আগে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় গত ৫ আগস্ট শহিদুল আলমকে বাসা থেকে নেওয়ার পর ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় ৬ আগস্ট রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে ৬৩ বছর বয়সী শহিদুল আলমকে আদালতে হাজির করা হলে গত ১২ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পরে গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন। শুনানির এ তারিখ এগিয়ে আনতে ১৯ আগস্ট আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। পরে ২৬ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি কার্যতালিকায় আসায় চলতি সপ্তাহে শুনানির দিন ঠিক করা হয়। সে অনুসারে আবেদনটি সোমবারের কার্যতালিকায় উঠে। ওই দিন শুনানির জন্য আজেক দিন ঠিক করেন।