logo
Update : 2018-06-06 17:13:54
পর্নোগাফি দেখলে কী কী রোগের ভয়!

পর্নোগাফি দেখলে কী কী রোগের ভয়!

    আমাদের দেশে বয়ঃসন্ধির সময় সঠিকভাবে কেউ সেক্সের বিষয়টি শেখায় না।শারীরিক নানা বদলের ব্যাপারেও জানায় না। ছেলেমেয়েরা নিজের মতো করেই জানতে থাকে। এবং অনেকটাই বেঠিকভাবে জেনে নেয়। এতেই শুরু হয় সমস্যা। তখন কিশোর বয়সের শিশুরা সেক্স লাইফ সম্পর্কে জানতে অনেকাংশেই পর্নোগ্রাফির উপর নিরভরশীল হয়ে পরে ।     পর্নোগ্রাফি দেখতে দেখতে অনেকের ক্ষেত্রে আসক্তি চলে আসে। নিজের অন্য স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে থাকে। যত বেশি দেখে, ততই ভাল লাগতে থাকে। ঠিক ড্রাগের নেশার মতো। এক্ষেত্রে চিকিৎসা দরকার। সত্যি বলতে, এরকম  কোনও বাঁধাধরা মাপকাঠি নেই, যা থেকে বলা যায়, অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখা হচ্ছে। এক একজনের ক্ষেত্রে এক একরকম।    হোস্টেলে থাকা একুশ বাইশ বছরের কোনও কলেজ ছাত্র বা ছাত্রী, সাধারণভাবে আমাদের দেশে, প্রচলিত সমাজব্যবস্থায় যার স্বাভাবিক যৌন চাহিদা মেটানোর বিশেষ উপায় নেই, তার সঙ্গে একজন মধ্যবয়ষ্ক দম্পতি কিংবা সত্তরোর্ধ মানুষের তুলনা করা যাবে না।কারও ক্ষেত্রে আবার পর্নোগ্রাফি দেখাটা অনেকটা যেন বাতিকের পর্যায়ে চলে যায়।   বিনা কারণে বারে বারে হাত ধোয়ার মতো। তাদের চিকিৎসা আবার একেবারেই অন্যরকম।ফলে বিষয়টি জটিল। এককথায় ভাল, না খারাপ বলা সম্ভব নয়। মনে রাখতে হবে, একজন অ্যাডাল্ট পুরুষ এবং মহিলার শারীরিক চাহিদা থাকা এবং তা মেটানোর বিষয়টি পুরোপুরি প্রাকৃতিক। সেটা বয়ঃসন্ধি পার করা দুটি মানুষেরমধ্যে হতে পারে, আবার সেলফ স্টিমুলেশন অর্থাৎ নিজেকে নানাভাবে উত্তেজিত করেও হতে পারে।এই উত্তেজিত করার ক্ষেত্রে পর্নোগ্রাফি একটা মাধ্যম।