EN ☀️
×

Follow Us

স্বাস্থ্য

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে হৃদরোগ, জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পরামর্শ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ এএম

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে হৃদরোগ, জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পরামর্শ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বয়স বাড়ার সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে—এমন ধারণা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের একটি বড় অংশ হৃদরোগ নিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, বংশগত ঝুঁকির পাশাপাশি অনিয়মিত জীবনযাপন, স্থূলতা, তামাক সেবন ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে কম বয়সেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হৃদরোগীদের প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ‘স্টেমি’ (এসটিইএমআই) ও ‘নন-স্টেমি’ (এনএসটিইএমআই) উভয় ধরনের রোগীই রয়েছেন।

কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. উদয়শঙ্কর দাস বলেন, রোগীদের বয়স কমে আসা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ৩০ থেকে ৪০ বছরের শুরুর দিকের অনেক রোগী ধমনিতে ব্লকেজ বা গুরুতর হার্ট অ্যাটাক নিয়ে জরুরি বিভাগে আসছেন।

চিকিৎসকের মতে, তরুণদের মধ্যে হৃদরোগ বাড়ার পেছনে বংশগত ঝুঁকি ও পারিবারিক ইতিহাসের পাশাপাশি আধুনিক জীবনযাপন ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে এশীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বংশগত ঝুঁকি ধমনির ক্ষতির আশঙ্কা বাড়াতে পারে।

এ ছাড়া অলস জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, তামাক সেবন এবং শনাক্ত না হওয়া ‘অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’ (ওএসএ)-এর কারণে উচ্চ রক্তচাপও তরুণদের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসব কারণে ধমনিতে প্রদাহ তৈরি হয়ে তা সময়ের আগেই শক্ত হয়ে যেতে পারে এবং হঠাৎ রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অল্প বয়স থেকেই সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. দাস। তার মতে, ২৫ বছর বয়সের আগে থেকেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত। এর মধ্যে লিপিড প্রোফাইল, রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ৩০ মিনিট মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

সূত্র: এই সময়

আরও পড়ুন