EN ☀️
×

Follow Us

স্বাস্থ্য

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী হামের টিকাদান শুরু

হামে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দায়িত্ব নেওয়ার পর গত চার বছর টিকাকার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেই ঘাটতির প্রভাব বর্তমান সরকারের ওপর পড়েছে

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

হামে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অ অ

হামের কারণে দেশের মানুষকে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে, অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

হামের টিকার বাইরে থাকা দেশের প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে এমআর (হাম-রুবেলা) টিকার আওতায় আনতে দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির টিএনটি খেলার মাঠে এই কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। এই কর্মসূচি চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের পর চার বছর পরপর এমআর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও তা বন্ধ ছিল। ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত চার বছরের ঘাটতির প্রভাব সরকারের ওপর পড়েছে। হামের কারণে দেশের মানুষকে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে। অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা ব্যথিত।

বিভিন্ন মহামারিতে চিকিৎসকদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চিকিৎসকেরা সব সংকট ও জরুরি পরিস্থিতিতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ জন্য চিকিৎসকদের প্রতি দেশ ঋণী।

তিনি বলেন, করোনাকালে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ ও প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুহার তুলনামূলক কম ছিল। চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও শতাধিক চিকিৎসকের আত্মত্যাগ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, শুধু সরকারের পক্ষে এ কাজ সম্ভব নয়। হাম ও অন্যান্য মহামারি মোকাবিলায় সমাজের সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়।

পরে ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে একই বয়সী ২ কোটি ২৩ লাখ শিশু অংশ নেয়। এতে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু এমআর টিকার বাইরে থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। এসব শিশুকে টিকার আওতায় আনতেই দ্বিতীয় দফার বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন