EN ☀️
×

Follow Us

ফিচার

জেনে নিন শীতকালে অ্যাজমা রোগীদের নিরাপদে ব্যায়ামের নিয়ম

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম

জেনে নিন শীতকালে অ্যাজমা রোগীদের নিরাপদে ব্যায়ামের নিয়ম

শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস আমাদের সংবেদনশীল শ্বাসনালীতে অস্বস্তি তৈরি করে হাঁপানি বা অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

অ অ

শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস আমাদের সংবেদনশীল শ্বাসনালীতে অস্বস্তি তৈরি করে হাঁপানি বা অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে সঠিক প্রস্তুতি ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শীতের সময়গুলোতেও নিরাপদে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা সম্ভব।

ভারতের কেআইএমএস হাসপাতালের পালমোনোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মানস মেঙ্গার শীতকালে অ্যাজমা রোগীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য টিপস শেয়ার করেছেন।

অ্যাজমার ওপর শীতের প্রভাব

শীতকালে সকালে হাঁটাহাঁটি বা ঘরের বাইরে ওয়ার্কআউট করার সময় অনেকেই কাশি, বুকে আঁটসাঁট ভাব বা শ্বাসকষ্টে ভুগেন। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ব্যায়াম করার সময় মানুষ সাধারণত দ্রুত এবং মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়।

ফলে ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস সরাসরি ফুসফুসের নিচের শ্বাসনালীতে পৌঁছে যায়। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘এক্সারসাইজ-ইনডিউসড ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশন’ বলা হয়। যার কারণে শ্বাসনালীর পেশীগুলো সংকুচিত হয়ে পড়ে।

এছাড়া শীতকালীন ভাইরাল ইনফেকশন, ধুলাবালি ও দূষণও এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে।

ডা. মেঙ্গারের মতে, আবহাওয়া ঠান্ডা হলেও অ্যাজমা রোগীদের ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জেনে নিন এসময় অ্যাজমা রোগীদের নিরাপদে ব্যায়ামের টিপসগুলো।

ধীরে ধীরে ওয়ার্ম-আপ

সরাসরি তীব্র কোনো ব্যায়াম শুরু না করে প্রথমে হালকা স্ট্রেচিং বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ দিয়ে শরীরকে প্রস্তুত বা ওয়ার্ম-আপ করে নিতে হবে।

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ও মাস্ক ব্যবহার

বাইরে যাওয়ার সময় নাক ও মুখের ওপর স্কার্ফ বা উপযুক্ত ফেস মাস্ক হালকাভাবে জড়িয়ে রাখতে হবে। এটি ভেতরের বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র রাখে। মুখ দিয়ে শ্বাস না নিয়ে নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

ইনডোর এক্সারসাইজ

যেদিন বাইরে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা বায়ুদূষণ বেশি থাকবে, সেদিন বাইরে না গিয়ে ঘরের ভেতরে বা জিমে মাঝারি ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করা ভালো।

ইনহেলারের সঠিক ব্যবহার

ব্যায়ামজনিত শ্বাসকষ্টের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে ‘রিলিভার ইনহেলার’ ব্যবহার করতে হবে। লক্ষণ সাময়িক কমে গেলেও মূল ওষুধ নিজে থেকে বন্ধ করা যাবে না।

সবশেষে, হাঁটার গতি বা সাইকেল চালানোর মতো মাঝারি ধরনের শারীরিক কসরত বেছে নেওয়া উচিত, যা শরীর সহজেই মানিয়ে নিতে পারে।

আরও পড়ুন