EN ☀️
×

Follow Us

ফিচার

ব্রন চাপ দেওয়ার দৃশ্য কেন পরম প্রশান্তির

ডেইলি সান রিপোর্ট, ফিচার

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম

ব্রন চাপ দেওয়ার দৃশ্য কেন পরম প্রশান্তির

ব্রন বা পিম্পল চাপ দেওয়াকে মস্তিষ্ক একটি ‘পুরস্কার’ হিসেবে গণ্য করে ডোপামিন হরমোন নিঃসৃত করে। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করতে করতে হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে উঠল একটি ক্লোজ-আপ ভিডিও। কোনো এক রূপবিশেষজ্ঞ চামচ বা সাঁড়াশির মতো একটি যন্ত্র দিয়ে ত্বকের ভেতরের একটি জেদি ব্ল্যাকহেড বা বড় এক ব্রণ চাপ দিয়ে বের করে আনছেন।

দৃশ্যটি দেখে অনেকেরই হয়তো গা গুলিয়ে উঠবে, কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো— লাখ লাখ মানুষ এই ভিডিওগুলো না টেনে, চোখ বড় বড় করে পুরোটা দেখেন!

ফেসবুক রিলস বা ইউটিউব শর্টসের কল্যাণে এই ‘পিম্পল পপিং’ ভিডিওগুলো এখন ইন্টারনেটের দুনিয়ায় নিজস্ব এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। যা একদল মানুষের কাছে চরম অস্বস্তিকর, অন্য দলের কাছে তা-ই আবার পরম মানসিক প্রশান্তি বা ‘স্যাটিসফাইং’ বিনোদন।

কিন্তু কেন এই অদ্ভুত আকর্ষণ? এর পেছনে লুকিয়ে আছে মানুষের মনস্তত্ত্বের এক দারুণ রহস্য।

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভালো লাগার পেছনে রয়েছে মানুষের স্বভাবজাত কৌতূহল, উত্তেজনা এবং কোনো সমস্যা সমাধানের পর পাওয়া ‘তাত্ক্ষণিক মানসিক স্বস্তি’।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের ত্বকে যখন কোনো ব্রণ বা দাগ দেখা দেয়, তখন তা দূর করার জন্য এক ধরনের তাগিদ কাজ করে। ব্রণের ভেতরের ময়লাটা বের করে আনাকে আমাদের মস্তিষ্ক একটি ছোট সমস্যা সমাধান করার মতো করে দেখে।

আর সমস্যা মিটে গেলেই সাথে সাথে মনে এক ধরণের স্বস্তি আসে।

মস্তিষ্ক এই বিষয়টিকে একটি ‘পুরস্কার’ হিসেবে গণ্য করে ডোপামিন হরমোন নিঃসৃত করে। ফলে কেউ যখন নিজে স্ক্রিন স্পর্শ না করে অন্য কারও ব্রণ পরিষ্কারের ভিডিও দেখেন, তখনও তাঁর মস্তিষ্কে অবিকল একই ধরণের স্বস্তির অনুভূতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুন