জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বাঁধনের ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা
বাঁধনের ওপর হামলার পেছনে ৪ কারণ দেখালেন দীপ্তি চৌধুরী
ডেইলি সান রিপোর্ট, বিনোদন
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ইতালির ভেনিসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীল ও যুবলীগের কর্মীরা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বাঁধন রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়াহীন সাধারণ নাগরিক ও নারী হওয়ায় তাঁকে সহজ লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বাঁধনের ওপর হামলার পেছনে চারটি কারণের কথা উল্লেখ করেন দীপ্তি চৌধুরী।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের অপরাধ—একটি গণঅভ্যুত্থানে তাঁর একটি অবস্থান ছিল, যা ছবির লোকগুলোসহ আরও হাজার হাজার মানুষের আদর্শের সঙ্গে মেলেনি। বাঁধন রাষ্ট্র কর্তৃক শিশু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে ছিলেন, প্রোফাইল লাল করেছিলেন। বাঁধন কোনো রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় নেই। বাঁধন নারী মানুষ; তাই সে সবচেয়ে সহজ টার্গেট।’
‘বাঁধন আমাদের লোক’
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দীপ্তি চৌধুরী বলেন, বর্তমানে যারা সরকারে রয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই জুলাইয়ের যোদ্ধা। কিন্তু জুলাইয়ের নামে নানা ধরনের গালি শুনতে হয় তাঁদের মতো রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়াহীন সাধারণ নাগরিকদের।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের বড় আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে বাহবা দেওয়া যায়, সহযোদ্ধা হিসেবে আগলে রাখা যায় না।’
জুলাই অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ও অংশীদারত্ব দাবি করা রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দীপ্তি। তিনি লেখেন, ‘জুলাইয়ের অংশীদারত্ব নিয়ে টানাটানি করা রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছি।’
ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাঁধন
‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে বর্তমানে ইতালির ভেনিসে রয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ভাই ও ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে তিনি সেখানে গেছেন বলে জানা গেছে।
ইতিহাস গড়ে ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক ‘অরিজন্তি’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ২টা এবং বাংলাদেশ সময় ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সালা দারসেনা থিয়েটারে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়।
সিনেমাটির চারটি প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবাইয়াত হোসেন।