EN ☀️
×

Follow Us

বিনোদন

সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামি ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

সালমান শাহ হত্যা মামলা: আসামি ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি
অ অ

এক সময়কার তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এজাহারনামীয় আসামি আশরাফুল হক ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গত ২০ আগস্ট সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন। আগামী ২৭ আগস্ট শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ আগস্ট ভোর ৫টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের মাধ্যমে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

ডন (৫৪) এ মামলার এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামি। মামলাটি গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, সালমান শাহর প্রকৃত নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার নিজ বাসায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনরা প্রথমে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর ঘটনায় বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী রমনা থানায় লিখিত সংবাদ দিলে অপমৃত্যু মামলা হয়। ওই মামলার তদন্ত চলাকালে সালমান শাহর মা ২০২২ সালে আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা করেন।

পরে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৬-এর আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলাটি আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর। সালমান শাহর মা দীর্ঘদিন ধরে তার ছেলের মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করে আসছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, আশরাফুল হক ডনকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতে পারে।

এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ডন কী কারণে এবং কার ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সে বিষয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ডনকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন