EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

ডুয়েটে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেটিভ ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ডেইলি সান রিপোর্ট, গাজীপুর

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম

ডুয়েটে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেটিভ ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ছবি: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেটিভ ইভেন্ট ২০২৬’। সংগৃহীত

অ অ

শিল্পখাত প্রতিনিধি ও অংশীজনদের সমন্বয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেটিভ ইভেন্ট ২০২৬’। রবিবার (২৭শে সেপ্টেম্বর) সকালে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে “স্ট্রেন্থেনিং স্টার্ট-আপ, ইনোভেশন এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এবং শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

গোলটেবিল আলোচনায় শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে ফলপ্রসূ ও টেকসই সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে গবেষণা, ইনোভেশন ও স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং ইউজিসির গৃহীত বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণাকে বাস্তবমুখী ও বাজার উপযোগী করে তুলতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা আবশ্যক। যার জন্য ইউজিসি নীতিগতভাবে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এজন্য বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৃতীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যা এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম এজেন্ডা হিসেবে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়ার যৌথ উদ্যোগ জোরদার করতে এ বছর জাতীয় পর্যায়ে ইনোভেশন ফেয়ার আয়োজিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধান অতিথি আরও উল্লেখ করেন, “সরকার এ বছর বাজেটে স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি উন্নয়নের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি খাতে ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ক্রিয়েটিভ ইকোনমির অবদান জিডিপির ১০ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে।

তরুণ উদ্যোক্তা ও গবেষকদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য উপযুক্ত অর্থায়ন, পরামর্শ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিশ্চিত করা সময়ের দাবি এবং এ ধরনের গোলটেবিল আলোচনা সেই লক্ষ্য অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।”

শিল্প প্রতিনিধিদের নিয়ে এ ধরনের গোলটেবিল আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি ডুয়েট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে ডুয়েটের উন্নয়নে ইউজিসির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আরও পড়ুন