প্রিন্টঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ঝুলে, অনিশ্চয়তায় প্রার্থীরা
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশঃ ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীর যোগদান দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দুই মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় ভুগছেন প্রার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। ফল প্রকাশের পর প্রার্থীরা মেডিকেল পরীক্ষা, পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা যোগদান করতে পারছেন না।
এ অবস্থায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা দ্রুত যোগদানের দাবিতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এতে তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ বিলম্বের কারণে অনেকেই আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। কেউ কেউ পূর্বের চাকরি ছেড়ে বর্তমানে বেকার অবস্থায় রয়েছেন, আবার অনেকের বয়সসীমা অতিক্রম করায় বিকল্প সরকারি চাকরির সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
প্রার্থীদের অভিযোগ, যোগদান প্রক্রিয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ও গোপন যাচাইয়ের খবর তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। তারা মনে করছেন, দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন না হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকার পরিবর্তন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। এ কারণে যোগদান প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে এখনো মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় কর্মকর্তারা উদ্যোগ নিতে পারছেন না। সিদ্ধান্ত এলে তবেই নিয়োগ কার্যক্রম এগোবে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও নিয়োগপত্র জারি না হওয়ায় প্রার্থীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। Recommended Stories
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ঝুলে, অনিশ্চয়তায় প্রার্থীরা
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
শেয়ার করার বিকল্পগুলি
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীর যোগদান দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দুই মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় ভুগছেন প্রার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। ফল প্রকাশের পর প্রার্থীরা মেডিকেল পরীক্ষা, পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা যোগদান করতে পারছেন না।
এ অবস্থায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা দ্রুত যোগদানের দাবিতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এতে তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ বিলম্বের কারণে অনেকেই আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। কেউ কেউ পূর্বের চাকরি ছেড়ে বর্তমানে বেকার অবস্থায় রয়েছেন, আবার অনেকের বয়সসীমা অতিক্রম করায় বিকল্প সরকারি চাকরির সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
প্রার্থীদের অভিযোগ, যোগদান প্রক্রিয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ও গোপন যাচাইয়ের খবর তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। তারা মনে করছেন, দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন না হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকার পরিবর্তন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। এ কারণে যোগদান প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে এখনো মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় কর্মকর্তারা উদ্যোগ নিতে পারছেন না। সিদ্ধান্ত এলে তবেই নিয়োগ কার্যক্রম এগোবে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও নিয়োগপত্র জারি না হওয়ায় প্রার্থীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। Recommended Stories
