EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

ছাত্রশিবির সমর্থিত 'দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ২৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা

ডেইলি সান রিপোর্ট, শাবিপ্রবি

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩১ এএম

ছাত্রশিবির সমর্থিত 'দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ২৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ তাদের ২৮ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহারটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী দেলোয়ার হাসান (শিশির) এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলামসহ অন্য প্রার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান বলেন, প্রায় তিন দশক পর শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ এই সময়ে শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সমস্যা ও সংকট তৈরি হলেও সেগুলোর কার্যকর সমাধান হয়নি। জমে থাকা এসব অপ্রাপ্তি ও সংকটের বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নিয়েই তারা ২৮ দফা ইশতেহার প্রণয়ন করেছেন।

ইশতেহারে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা, আবাসন সুবিধা, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, জুলাই কর্নার স্থাপন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা, একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত শাকসু নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত করা এবং শতভাগ আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ। পাশাপাশি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।

ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষার্থীদের জন্য সাশ্রয়ী দামে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ, নিরাপদ ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা চালু, আন্তধর্মীয় সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং আজাদি আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করার অঙ্গীকার।

এ ছাড়া গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার, ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও সফট স্কিল বৃদ্ধিতে উদ্যোগ, উচ্চশিক্ষা বিষয়ক মেন্টরিং ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার জন্য টিউশন অ্যাপ চালু ও বৃত্তি কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনগত পদক্ষেপ, প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট সেবা চালু, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গঠনের কথাও ইশতেহারে তুলে ধরা হয়।

নারীদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, পরিবেশবান্ধব ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, আইনি সহায়তা ও মানবাধিকার সুরক্ষা, আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকারও এতে স্থান পেয়েছে।

এ ছাড়াও র‍্যাগিং ও হয়রানি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা, ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তা সেল গঠন, মাতৃত্বকালীন ছুটি কার্যকর করা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন