EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তড়িৎ প্রকৌশলের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

ইফতে খাইরুল আমিনের বিরুদ্ধে আচরণগত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীরা টানা চার দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আসছেন।

ডেইলি সান রিপোর্ট, শাবিপ্রবি

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২৮ পিএম

বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তড়িৎ প্রকৌশলের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের ফাঁকা ক্লাসরুম।

অ অ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিভাগের প্রধান ইফতে খাইরুল আমিনের বিরুদ্ধে আচরণগত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীরা টানা চার দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আসছেন।

আজ বৃহস্পতিবারও তারা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেননি। শিক্ষার্থীদের ঘোষণা, বিভাগীয় প্রধানকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না।

শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইফতে খাইরুল আমিনকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। তবে তার স্থলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্কুল অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিভাগের প্রধান হিসেবে ইফতে খাইরুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকসুলভ আচরণ করেন না। কোর্সে পাস করানো থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট প্রদান, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি হুমকি দেন, কোনো যুক্তি ছাড়াই অভিভাবকদের ফোন করে অপমান করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সহায়তা করেন না এবং কথা বলতে গেলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এসব অনিয়মের অভিযোগ জানিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন।

ইইই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি বিভাগীয় সংকট ও প্রধানের আচরণগত সমস্যার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানালে অন্যান্য বর্ষও আন্দোলনে যুক্ত হয়। গত রবিবার প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত সব ব্যাচ ক্লাস–পরীক্ষা বর্জন শুরু করলে বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় থমকে যায়।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইফতে খাইরুল আমিন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেন আগেই রায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের কোনো কপি আমাকে দেওয়া হয়নি, জবাব দেওয়ার সুযোগও পাইনি। স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়ব না; প্রয়োজনে প্রমাণসহ তদন্তের জবাব দেব।’

তিনি আরও বলেন, তার কোনো কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখিত, তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই প্রয়োজন।

তদন্ত কমিটির প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ–উপাচার্য সাজেদুল করিম জানান, বুধবার থেকে তদন্তকাজ শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আসল পরিস্থিতি পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুন