EN ☀️
×

Follow Us

অর্থনীতি

নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ, চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ৪ কোটি মানুষ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ, চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ৪ কোটি মানুষ
অ অ

চলতি বছরের শেষের দিকে বিশ্ব বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এক লাফে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্ভাবাস দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। 

সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও প্রতিকূল আবহাওয়াসহ নানা কারণে এমনটা হতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নতুন করে চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়তে পারে ৪ কোটি মানুষ।

বিশ্বব্যাংকের অক্টোবরের কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৫টি দেশকে পৌনে ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী এরই মধ্যে জ্বালানির দাম বেড়েছে ৩২ শতাংশ। যা রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর সর্বোচ্চ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ কমবে ৫ দশমিক ২ শতাংশ, যা করোনা মহামারির পর গেল চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন।

তালিকায় আছে চাল ও গমের মতো খাদ্যপণ্যও। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে কৃষ্ণসাগরে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বছর শেষে দাম বাড়তে পারে ১০ শতাংশের বেশি। 

পূর্বাভাসে বলা হয়, এই সংকটকে আরও গভীর করবে এল নিনোর বিরূপ প্রভাব। যা ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে বেশি তীব্র। এছাড়া শিল্পে ব্যবহৃত ধাতবপণ্যের দামও বাড়তে পারে ২৫ শতাংশ। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইলেক্ট্রিক ভেহিকেল ও ডেটাসেন্টারগুলোর ব্যাপক চাহিদায় রেকর্ড গড়তে পারে এলুমিনিয়াম, তামা ও টিনের দাম। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর দাম বাড়তে পারে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিত আরও খারাপ হলে নতুন করে দারিদ্রের মুখে পড়তে পারে চার কোটির বেশি মানুষ। 

খতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দেশগুলো প্রায় পৌনে নয় মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। তবে আগামী বছর পণ্যের দাম ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলেও পূর্ভাবাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটি। 

তারা বলেছে, সরবরাহ শৃঙ্খলায় অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মূল্যস্ফিতি নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক নীতি গঠন করতে বাধ্য হতে পারে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও পড়ুন