EN ☀️
×

Follow Us

অর্থনীতি

দুই বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬.৬ শতাংশ

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ এএম

দুই বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬.৬ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের রিজার্ভ। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ, আর আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ বেড়েছে ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এখন রিজার্ভে যোগ হয়েছে ১ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৪৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। দুই বছর পর, চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৪৪ কোটি ডলারে। অর্থাৎ দুই বছরে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ১ হাজার ১৫৮ কোটি ডলার।

একই সময়ে আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ ১ হাজার ৯৮৬ কোটি ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫৩ কোটি ডলারে। এ হিসাবে দুই বছরে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ১ হাজার ১৬৭ কোটি ডলার।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি যে চাপের মুখে পড়েছিল, রিজার্ভের এই বৃদ্ধি সেই পরিস্থিতি থেকে উল্লেখযোগ্য পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলারের সরবরাহ ও তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি এবং আমদানি চাহিদা তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করেছে।

বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশীয় বৈদেশিক মুদ্রাবাজার থেকে ডলার কিনেছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ পুনর্গঠনে সহায়তা হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারেও তুলনামূলক স্থিতিশীলতা এসেছে।

অবশ্য আমদানি বিল পরিশোধ ও অন্যান্য বৈদেশিক দায় মেটানোর কারণে বিভিন্ন সময়ে রিজার্ভে ওঠানামা হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে গত দুই বছরে রিজার্ভ বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩ হাজার ১৪৩ কোটি ডলারে। একই সময়ে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার।

চলতি বছরের জুনের শেষে গ্রস রিজার্ভ আরো বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৮ কোটি ডলারে। ওই সময় বিপিএম৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৯৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বৈদেশিক খাতের পরিস্থিতির উন্নতির কারণেই দেশের রিজার্ভ বেড়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনেছে। এর মাধ্যমে আগের বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের সময়ে কমে যাওয়া রিজার্ভ পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

আরও পড়ুন