EN ☀️
×

Follow Us

অর্থনীতি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে প্রথম দিনেই ১৩শ কোটি টাকা তোলার আবেদন

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পিএম

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে প্রথম দিনেই ১৩শ কোটি টাকা তোলার আবেদন
অ অ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত নিতে প্রথম দিন ৮৪ লাখ গ্রাহকের মধ্যে মাত্র ১৮ হাজার গ্রাহক আবেদন করেছেন। অর্থাৎ মোট গ্রাহকের প্রায় ০.২১ শতাংশ টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবেদুর রহমান শিকদার।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে হিসাব বন্ধ করে ‘এক্সিট সুবিধা’ নিতে চাওয়া গ্রাহকের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। এসব গ্রাহকের বিপরীতে চাওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা।

মো. আবেদুর রহমান শিকদার বলেন, আমাদের ৮৪ লাখ গ্রাহকের মধ্যে প্রথম দিনে মাত্র ১৮ হাজার আবেদন পেয়েছি। শতাংশের হিসাবে এটি খুবই সামান্য। যারা এক্সিট সুবিধা নিতে অর্থাৎ হিসাব বন্ধ করে টাকা নিতে চাচ্ছেন, তাদের আবেদনের বিপরীতে চাওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা। এটিও খুবই নগণ্য পরিমাণ।

ব্যাংকটির এমডি বলেন, গতকাল আমরা যে অর্থ ফেরতের চাহিদা পেয়েছি, তার পরিমাণ ১৩০০ কোটির কিছু বেশি। তবে ১৪০০ কোটি টাকাও নয়। আমাদের প্রায় ১৫০০ শাখা ও উপ-শাখায় স্বাভাবিক লেনদেন হলেও এর চেয়ে বেশি অর্থের লেনদেন হওয়ার কথা।

তিনি বলেন, সেই তুলনায় খুব বেশি মানুষ টাকা তুলতে চাইছেন না। এর অর্থ হলো, আমাদের ওপর গ্রাহকদের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে টাকা উত্তোলনের জন্য ১৮ হাজার গ্রাহকের আবেদন থেকে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার চাহিদা পাওয়া গেছে। ব্যাংকটির মোট গ্রাহক ৮৪ লাখ হওয়ায় আবেদনকারীর হার দাঁড়ায় প্রায় ০.২১ শতাংশ।

সম্প্রতি একীভূত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক— এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির আমানতকারীদের নির্ধারিত নিয়মে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের আবেদনের পরিমাণ ও অর্থের চাহিদা ব্যাংকটির মোট গ্রাহক এবং স্বাভাবিক লেনদেনের তুলনায় সীমিত। ফলে গ্রাহকদের বড় একটি অংশ এখনই আমানত তুলে নেওয়ার পরিবর্তে ব্যাংকে অর্থ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন