EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
অ অ

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্য পরিবেশ সহজ করার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার রাজধানীতে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানো, জ্বালানি খাতে অংশীদারত্ব এবং সাম্প্রতিক নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।

ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) প্রকল্পের প্রসঙ্গও বৈঠকে উঠে আসে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। বাংলাদেশে কাজ করতে মার্কিন কোম্পানিগুলো আগ্রহী বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রদূত।

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী মার্কিন বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দ্রুত এফএসআরইউ সরবরাহের সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কম সময়ে কার্যকর সরবরাহ পরিকল্পনা দিতে পারলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

আমদানি নীতি নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, নতুন আমদানি নীতিতে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তবে কিছু ধারা আরও ব্যবসাবান্ধব করার সুযোগ রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানি নীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাজার ও অর্থনীতির বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

কৌশলগত সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় এজেন্ট নিয়োগের পুরোনো বাধ্যবাধকতা বাতিলের বিষয়টিও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন সরাসরি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরেছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়েছে।

জ্বালানি খাতে সহযোগিতার প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গানভর’-এর সঙ্গে চুক্তিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ নীতি অব্যাহত থাকবে।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান এবং মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক চিফ এঞ্জেলো পালাজ্জেলো উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই পক্ষই আশা প্রকাশ করে, নিয়মিত এ ধরনের আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

আরও পড়ুন