EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

ঠাকুরগাঁওয়ের ২০০ বছরের পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ের ২০০ বছরের পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
অ অ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দুই বিঘা জমিজুড়ে বিস্তৃত দুই শত বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে তিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত সুলতান টি স্টেটও পরিদর্শন করেন।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী মিসেস ডিয়ান ডাও এবং মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল।

বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটলডোবা গ্রামে সুলতান টি স্টেটে পৌঁছালে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ সরকারি কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত চা বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সমতলের মাটিতে চা চাষের পদ্ধতি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। বাগানের সৌন্দর্য এবং সমতলে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি সমতলে কখনো চা দেখিনি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সমতলে চা চাষ দেখে আমি খুশি হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন। আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’

পরে তিনি চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কাজের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারি এলাকায় যান। সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছটি পরিদর্শন করেন।

দুই বিঘা জমিজুড়ে বিস্তৃত বিশাল আকৃতির প্রাচীন আমগাছটি ঘুরে দেখেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। গাছটির বয়স, আকার ও স্থানীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে পেরে তিনি মুগ্ধ হন।

সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা-বাগান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, স্থানীয় ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগ্রহের বিষয়টি উঠে আসে।

আরও পড়ুন